ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে ‘১০ বছরের চ্যালেঞ্জ’ খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এই ‘১০ বছরের চ্যালেঞ্জ’-এর সার্বিক পরিস্থিতি দেখে নেওয়া যাক, সঙ্গে আছেন সুদিপ্ত কুমার নাগ
১০ বছরের চ্যালেঞ্জে ভার্সিটির হলগুলোর ডাইনিংয়ের কোনো পরিবর্তন হবে না।
১০ বছরের চ্যালেঞ্জে ভার্সিটির কোনো জিনিসের কোনো পরিবর্তন হবে না?
ডাইনিংয়ের ডালের কোনো পরিবর্তন হবে না। আমার বাপ-দাদার আমলে, আমার সময়, এমনকি আমার ছেলে যখন ভার্সিটিতে পড়বে সেই সময়ও ডাইনিংয়ের ডাল সেই একইরকম পাতলা থাকবে।
১০ বছরের চ্যালেঞ্জে বেশিরভাগ প্রেমিক-প্রেমিকারা ছ্যাঁকা খাওয়ার আগাম সংবাদ জেনে ফেলতে পারে।
তুমি আমার সাথে আর সম্পর্ক রাখতে চাও না কেন?
জ্যোতিষী বলেছে, ১০ বছর পর তোমার বোনের সাথে আমার বিয়ে হবে। তাই তোমার সাথে সম্পর্ক রেখে ফাউ ডেটিং খরচ চালাতে পারব না।
১০ বছর চ্যালেঞ্জে আগামী ১০ বছর পর ঠাট্টার অনেক লেখকই বাবা, চাচা, মামা হয়ে যাবে।
হ্যালো এমদাদ ভাই, আপনি কই আছেন? তাড়াতাড়ি দুইটা লেখা পাঠান।
জুয়েল কাক্কু, আমি পাপ্পু বলছি। বাবা কিছুক্ষণ আগে আম্মুর সাথে পার্সোনাল কাজে বের হয়েছে। এ সপ্তাহে বাবাকে ডিস্টার্ব করবেন না, তাকে একটু এনজয় করতে দেন।
১০ বছর চ্যালেঞ্জ নিয়ে বেকারদের চিন্তা সবথেকে বেশি।
বুঝছিস লিপু, আগামী ১০ বছরের মধ্যে একটা ভালো সরকারি চাকরি পাওয়াই সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ।
আর সেই চাকরি যদি বিসিএস ক্যাডারে হয়, তাহলে তো আর কথাই নাই।
