আনন্দ বিনোদন প্রতিবেদক
দীর্ঘদিন ধরেই ‘ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনাল’-এ কর্মরত নন্দিত মডেল-অভিনেত্রী মিথিলা। করোনা শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত তিনি নিয়মিত অফিস করছেন ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’র আওতাধীন। যে কারণে এখন স্বাস্থ্যবিধি মেনে নাটক-টেলিফিল্ম এবং সিনেমায় অভিনয় করতে পারছেন আগের তুলনায় অনেকটাই স্বাধীনভাবে। কারণ শুটিংয়ের ফাঁকে ফাঁকে পরিচালকের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে মিথিলা ল্যাপটপে অফিসিয়াল কাজে সম্পৃক্ত হতে পারছেন। যোগ দিতে পারছেন মিটিংয়েও। যারা মিথিলাকে নিয়ে কাজ করছেন তারা তার এই ব্যস্ততাকে মেনে নিয়েই তাকে নিয়ে নাটক, টেলিফিল্ম এমন কি সিনেমাও নির্মাণ করছেন। গত ঈদেও মিথিলা একাধিক নাটকে অভিনয় করেছেন। এবারের ঈদে যেন সেই তুলনায় আরেকটু বেশি, এমনটাই জানালেন মিথিলা। মিথিলা জানান, এরইমধ্যে তিনি শেষ করেছেন গৌতম কৈরীর পরিচালনায় ‘আমি মিথিলা না’ নাটকের কাজ। একই রকম দেখতে দু’জন মানুষের গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে নাটকটি। এই নাটকে অভিনয় করে বেশ মজা পেয়েছেন মিথিলা। শেষ করেছেন আবু হায়াত মাহমুদের পরিচালনায় স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র মনজরুল শিবলীর রচনায় ‘টিয়া পাখি’, হাসান রেজাউলের পরিচালনায় ‘Being Woman’, প্রীতি দত্তের পরিচালনায় ‘টুগেদার’ ও বাবা দিবসের একটি নাটকের কাজ। এছাড়াও তিনি শেষ করেছেন রাকেশ বসুর রচনা ও পরিচালনায় ‘অন্তর্জলি যাত্রা’ নাটকের কাজ। এছাড়াও চলতি সপ্তাহে মিথিলা শুরু করেছেন তানিম রহমান অংশুর পরিচালনায় ‘সাহসিকা’ শিরোনামের একটি টেলিফিল্মের কাজ। এই টেলিফিল্মে তার সহশিল্পী হিসেবে আছেন আশীষ খন্দকার, মনোজসহ আরো অনেকে। এবারের ঈদে কাজ করা প্রসঙ্গে মিথিলা বলেন, ‘সত্যি বলতে কি অভিনয় সবসময়ই মিস করি। এখন অনেকটাই স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছি। কারণ এখনো ওয়ার্ক ফ্রম হোম—এভাবেই অফিস করছি। শুটিংয়ের ফাঁকে ফাঁকে পরিচালকের অনুমতি নিয়ে ল্যাপটপে বসে অফিস করে নেই কিংবা জরুরি মিটিংয়ে যোগ দেই। খুব ভালো স্ক্রিপ্টের কিছু কাজ করেছি।’
