জাতীয় পরিচয়পত্র নির্বাচন কমিশনের কাছেই থাকবে :সিইসি

আপডেট : ১৭ জুন ২০২১, ০০:৩১

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা বলেন, জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনসহ সব নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন বদ্ধপরিকর। নির্বাচনে যেন কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে এবং সবার অংশগ্রহণে যেন অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট গ্রহণ করা যায়, সে জন্য কাজ করছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের সহায়ক ভূমিকা হিসেবে কাজ করেন সাংবাদিকেরা। বাংলাদেশের নির্বাচনের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত নির্বাচনসংশ্লিষ্ট জাতীয় পরিচয়পত্রের কাজ নির্বাচন কমিশন করে আসছে, এখনো তা নির্বাচন কমিশনই করবে। জাতীয় পরিচয়পত্রের কাজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে যে চিঠি চালাচালি করা হচ্ছে, অচিরেই তার অবসান হবে এবং আশা করি এটি নির্বাচন কমিশনের কাছেই থাকবে।

আগামী ২১ জুন লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের উপনির্বাচন। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গতকাল বুধবার দুপুরে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিইসি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, করোনার কারণে অনেক অঞ্চলেই ভোটগ্রহণ বন্ধ রাখা হয়েছে। কিন্তু সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে এবং কিছু অঞ্চলে করোনার প্রকোপ কম থাকায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন সব সময় চায় সব দলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে, কিন্তু কোনো দল যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে, তাহলে নির্বাচন কমিশনের কিছু করার নেই। নির্বাচন কমিশনের কাজ হচ্ছে নির্বাচন পরিচালনা করা। কাউকে নির্বাচনে অংগ্রহণ করানোর কাজ নির্বাচন কমিশনের নয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আইডিইএ প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল কাশেম মো. ফজুলল কাদের, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার হোছাইন আকন্দ, পুলিশ সুপার ড. এ এইচ এ কামরুজ্জামান, নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব ফরাদ আহম্মেদ খান, স্থানীয় সরকার উপপরিচালক মোহাম্মদ সফিউজ্জামান ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-২ নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. দুলাল তালুকদার প্রমুখ।