আমার আউশে দাও বাতাসের দোলা

আপডেট : ১৭ জুন ২০২১, ২১:১০

প্রবাদের মই রাখিনি কাছে। তস্করের কাস্তেও নয়।

আমার মৌরসী হাল। আর ঘামমূল্যে দ্যাখো মোটে

এ’ ক’বিঘা জমি! বানরের লেজের মতো ঝোলে না

পদবী! মানি! অতখানি আশীর্বাদ ঢালেনি যে দেবী!

তবুও আমার খেতে, দ্যাখো চেয়ে, পুবালি বাতাসে

ওঠে সবুজের ঢেউ! নত কাতারের মতো নুয়ে যেতে

চায় কতো ঊর্ধ্বমুখী শীষ! তাই আমি কুলো বেঁধে পিঠে,

নবান্ন হাসিবে জ্ঞানে সাঁওতাল বধূর মতো সাজাই উঠোন।

ভূস্বামীর প্রজা নই; বহিনা রোদেলা কাঁধে মহামাননীয়

কোনো সর্দারের লাঠি। শুধু জানি—আকাশের সহূদতায়

উঠোনে রচিত হলে সোনালি গম্বুজ, সেইদিন সখা হে,

তোমারও নাসিকা হবে আমোদিত বাতাসের মুঠে পাওয়া

হৈমন্তিক ঘ্রাণে। তাই বলি, হে বন্ধু, ফেলে দিয়ে নিঃশেষে—

সোনালি নিবের পেটে উর্ণলালার মতো জমে থাকা যতসব

কালোমনা কালি—আমার আউশে দাও বাতাসের দোলা।