খুলনায় করোনা রোগীর শয্যা বাড়লো ১০০

আপডেট : ১৭ জুন ২০২১, ২১:৫১

করোনার সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় খুলনায় প্রতিদিনই বাড়ছে রোগী। ফলে হাসপাতালে বেড মিলছে না। প্রতিদিন গড়ে ১০০ শয্যার করোনা হাসপাতালে ১৩০ থেকে ১৫৪ জন পর্যন্ত রোগী ভর্তি  থাকছেন। এ কারণে ফ্লোরেও চিকিত্সা নিতে হচ্ছে।

সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে খুলনা মেডিক্যালের (খুমেক) ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা ৩০টি বৃদ্ধি করা হয়েছে। এখন এই হাসপাতালের শয্যার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩০। এছাড়া ৭০ শয্যাবিশিষ্ট নতুন আরেকটি করোনা ইউনিটও চালুর জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। খুলনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে (সদর) ৭০ শয্যার এই করোনা ইউনিট চালু হবে আগামী সপ্তাহে।

খুলনা করোনা হাসপাতালের ফোকাল পারসন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার বলেন, রোগীর চাপ বাড়ায় শয্যা সংকট দেখা দেয়। এ কারণে গত বুধবার থেকে ৩০টি শয্যা বাড়িয়ে ১০০ শয্যার হাসপাতালকে ১৩০ শয্যাবিশিষ্ট ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে পরিণত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ৩০ শয্যা বাড়লেও এখনো ঠিক করা হয়নি কতগুলো রেডজোন হবে, আর কতগুলো ইয়োলো জোন হবে।

খুলনা সিভিল সার্জন ডা. নিয়াজ মোহাম্মদ বলেন, খুলনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে কোভিড রোগীদের জন্য ৭০টি শয্যা থাকছে। তবে অন্যকোনো রোগাক্রান্ত রোগী এখানে ভর্তি নেওয়া হবে না। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী সপ্তাহে হাসপাতালে রোগী ভর্তি কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে বলে তিনি জানান। খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. রাশিদা সুলতানা বলেন, খুলনায় ১০০ শয্যাবিশিষ্ট করোনা হাসপাতাল ছিল। সেখানে ৩০টি শয্যা বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া খুলনা জেনারেল হাসপাতালেও ৭০ শয্যা প্রস্তুত করা হচ্ছে করোনা রোগীদের জন্য। ফলে খুলনায় করোনা রোগীদের জন্য ২০০ শয্যা হচ্ছে।

লিকুইড অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপন

অন্যদিকে খুমেকের পরিচালনাধীন ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে লিকুইড অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার প্ল্যান্টটি স্থাপনের কাজ শেষ হয়। এ ব্যাপারে খুলনা মেডিক্যাল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মেহেদী নেওয়াজ বলেন, খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে লিকুইড অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপনে ব্যয় হয়েছে ৯৭ লাখ টাকা। এ অক্সিজেন প্ল্যানটি চালু হলে ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে ভর্তি রোগীরা কম খরচসহ আরো সহজে অক্সিজেন সুবিধা পাবেন।