স্বাভাবিক জীবনের আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে করোনার ডেল্টা স্ট্রেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) এবং সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) আগেই ডেল্টা স্ট্রেনকে ‘ভ্যারিয়্যান্ট অব কনসার্ন’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
এই মুহূর্তে আমেরিকায় করোনা আক্রান্তের ১০ শতাংশ ডেল্টা স্ট্রেনে সংক্রমিত। কিন্তু সংখ্যাটা খুব দ্রুত গতিতে বাড়ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জো বাইডেন সরকারের আর এক বিশেষজ্ঞ, সার্জন জেনারেল বিবেক মূর্তি।
তিনি বলেন, বিষয়টাকে ভাল করে বুঝতে হবে। এটা ভেবে দেখা উচিত, কেন ব্রিটেনে এটাই প্রধান সংক্রামক স্ট্রেন হয়ে উঠেছে।’’
গত কয়েক সপ্তাহে ব্রিটেনে দ্রুত গতিতে বেড়েছে ডেল্টা স্ট্রেনে সংক্রমণ। একটি নতুন গবেষণায় পর্যবেক্ষণ— প্রতি ১১ দিন অন্তর করোনা-সংক্রমিতের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে সে দেশে। আর সেই সঙ্গে এটি হয়ে উঠেছে সে দেশের মূল সংক্রামক স্ট্রেন।
ইম্পেরিয়াল কলেজ অব লন্ডন বিষয়টি ‘রিয়েল-টাইম অ্যাসেসমেন্ট অব কমিউনিটি ট্রান্সমিশন’ পদ্ধতিতে বিশ্লেষণ করে দেখেছে। তারা ২০ মে থেকে ৭ জুন পর্যন্ত বাড়ি-বাড়ি গিয়ে ১ লক্ষ সোয়াব টেস্ট করেছে। দেখা গিয়েছে ০.১৫ শতাংশের শরীরে মারণ ভাইরাসটি রয়েছে। বা এ ভাবেও বলা যায়, ৬৭০ জনের মধ্যে ১ জনের শরীরে ভাইরাসটি পাওয়া গিয়েছে।

এ থেকে তারা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে, সংক্রমণ, হাসপাতালে ভর্তি বা মৃত্যুর সংখ্যা ফেব্রুয়ারি মাস থেকে কমেছিল। কিন্তু এপ্রিল থেকে পরিস্থিতি আবার বদলাচ্ছে।
ইম্পেরিয়াল কলেজ অব লন্ডনের এই গবেষণায় যুক্ত অধ্যাপক পল এলিয়ট জানান, যথেষ্ট জোরদার প্রমাণ তাঁরা পেয়েছেন। আর তাতে এটা স্পষ্ট, ১১ দিন অন্তর সংক্রমিতের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে ব্রিটেনে।
ইত্তেফাক/এএইচপি
