গাড়ি পোড়ানো ও নাশকতা সৃষ্টির অভিযোগে করা দুই মামলায় আড়াই মাস কারাভোগ শেষে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। গতকাল শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পান। কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এরপর তিনি সেখান থেকে ঢাকার বাসা পৌঁছান।
গত ২৮ মার্চ হেফাজতের হরতালের দিন রাজধানীর রায়েরবাজার এলাকা থেকে নিপুণ রায়কে আটক করে সাদা পোশাকের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের পুত্রবধূ ও দলটির ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর মেয়ে নিপুণ রায় গাড়িতে আগুন দেওয়ার নির্দেশ দিচ্ছেন—এমন একটি কল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তাকে আটক করা হয়। এরপর নাশকতা ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে হাজারীবাগ থানায় মামলা করা হয়। এছাড়া রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার দায়ের করা বে-আইনি সমাবেশ, গুরুতর আঘাত ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা অপর মামলায় নিপুণ রায় চৌধুরীকে গ্রেফতার দেখানো হয়। এই দুই মামলায় তাকে রিমান্ডেও নেওয়া হয়। দুই মামলায় গত বুধবার বিচারপতি মুহাম্মদ আবদুল হাফিজ ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ নিপুণের এ জামিন আদেশ দেন।
