দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করল ইরান। ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলুশনের বার্ষিকীতে গতকাল এই ক্ষেপণাস্ত্র উদ্বোধন করা হলো।
এর পাল্লা ১৩ শত কিলোমিটার। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এই খবর সম্প্রচারিত হয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির হাতামি বলেন, এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ছুড়তে খুব কম সময় লাগে এবং এটি অনেক কম উঁচু দিয়ে উড়ে যেতে পারে। ভূমি থেকে ভূমিতে আঘাত হানতে পারা এই ক্ষেপণাস্ত্রের নাম হবেইজে।
পশ্চিমা বিশেষজ্ঞরা বলেন, ইরান মাঝে মাঝে তাদের অস্ত্রের কার্যকারিতা সম্পর্কে বাড়িয়ে বলে। তবে ইরান ব্যালিস্টিক মিসাইল তৈরি করছে বলে পশ্চিমাদের মধ্যে উদ্বেগ আছে। ইরানের রেভ্যুলুশনারি গার্ডের মহাকাশ বিভাগের প্রধান আমিরালি হাজিজাদেহ বলেন, ইরান ক্রুজ মিসাইলের জন্য জেট ইঞ্জিন তৈরির প্রাথমিক সমস্যা কাটিয়ে উঠেছে।
জানুয়ারিতে ইরান মহাকাশে স্যাটেলাইট উেক্ষপণের চেষ্টা করেছিল কিন্তু তা ব্যর্থ হয়। গত মাসে ইরানের তিনটি রকেট উেক্ষপণের চেষ্টার নিন্দা করে ওয়াশিংটন। ওয়াশিংটন বলেছিল এগুলো ব্যালেস্টিক মিসাইল তৈরির চেষ্টা। এর মাধ্যমে ইরান জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশন লঙ্ঘন করছে।
নিরাপত্তা পরিষদ আট বছর ইরানকে ব্যালেস্টিক মিসাইল তৈরির চেষ্টা করতে নিষেধ করেছে। ইরান বলেছে তারা নিরাপত্তা পরিষদের নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করছে না। তাদের মিসাইল পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম না। তারা মিসাইল কর্মসূচি নিয়ে বৈঠক করতেও অস্বীকৃতি জানিয়েছে। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র গত বছর ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি ভেঙে দেয়।
