কুমিল্লায় শ্যালক হত্যা মামলায় দুলাভাই গ্রেফতার

আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২৩:০৩

কুমিল্লায় মো. কাউছার (২০) হত্যা মামলায় মো. আমিন (৩০) নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে কুমিল্লাস্থ র্যাব-১১ এর সদস্যরা জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার লালমাই পাহাড়ি এলাকার হাজতখোলা থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে। এর আগে জাহিদ হাসান বাপ্পী নামে গ্রেফতারকৃত এক আসামি কাউছার হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকাসহ হত্যাকা্লের বিবরণ তুলে ধরে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদানের পর র্যাব সদস্যরা আমিনকে গ্রেফতার করে। বাস কাউন্টারে অবৈধভাবে উপার্জিত টাকার ভাগ-বাটোয়ারা এবং চোরাই মোবাইলের ভাগের টাকা না দেয়ায় পরিকল্পিতভাবে ইয়াবা ট্যাবলেট সেবন করিয়ে অর্ধ মাতাল অবস্থায় রড দিয়ে হাতে ও মাথায় আঘাতের পর কাউছারের দেহ রেললাইনের পাশে ফেলে রাখা হয়। গ্রেফতারকৃত আমিন নিহত কাউছারের দুলাভাই। নিহত কাউছার ওই উপজেলার দীঘলগাঁও গ্রামের আবদুল হকের ছেলে এবং ঘাতক আমিন একই উপজেলার শ্রীমন্তপুর গ্রামের আবদুর রশিদের ছেলে। শনিবার বিকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

র্যাব ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ১ জুলাই সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের জেলার সদর দড়্গিণ উপজেলার পদুয়ার বাজারের রেললাইনের পাশে আহত অবস্থায় পড়ে থাকা কাউছারকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কুমিলস্না মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে কাউছার মারা যান। এতে কাউছার হয়তো ট্রেনের ধাক্কায় আহত হয়ে মারা গেছে এমন ধারণা থেকে তাকে ওইদিন বিকালে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কাউছারকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে এমন সন্দেহ থেকে আদালতে অভিযোগ দাখিল করে তার পরিবার। পরে আদালতের নির্দেশে ঘটনার প্রায় ৬ মাস পর গত বছরের ১ ফেব্রুয়ারি জেলার লাকসাম রেলওয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয় এবং আদালতের নির্দেশে কাউছারের লাশ কবর হতে উত্তোলন করে সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুতসহ কুমিলস্না মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত করা হয়।