২০১৮ সালের প্রশ্ন সরবরাহ, বিপাকে পরীক্ষার্থীরা

আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২৩:৫৯

পরীক্ষার হলে ২০১৮ সালের প্রশ্নপত্র সরবরাহ করায় পরীক্ষার্থীরা বিপাকে পরেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রায় ২০ মিনিট লেখার পর বিষয়টি হল সুপার, কক্ষ পরিদর্শক ও কর্তৃপক্ষের নজরে এলে পরে প্রশ্নপত্র পরিবর্তন করে ২০১৯ সালের প্রশ্নপত্র সরবরাহ করেন। শনিবার বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায় টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল মো. মনশুর আলী উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটেছে।

এসএসসি পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের মধ্যে বেশ কয়েকজন অভিযোগ করেন, শনিবার ছিল বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা। বাঁশতৈল মো. মনশুর আলী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর কেন্দ্র সচিব মো. এমরান হোসেন, হল সুপার মো. আব্দুস সামাদ ও কক্ষ পরিদর্শকরা ২০১৯ সালের সিলেবাসের প্রশ্নপত্রের পরিবর্তে ভুলক্রমে ২০১৮ সালের প্রশ্নপত্র সরবরাহ করেন। পরীক্ষার্থীরা প্রশ্নপত্র দেখে বিপাকে পরে।

পরীক্ষার্থীদের অভিযোগের পর বিষয়টি হল সুপার, কক্ষ পরিদর্শক ও কেন্দ্র সচিবের নজরে আসে। পরে প্রশ্নপত্র পরিবর্তন করে নতুন করে প্রশ্নপত্র বিতরণ করেন। এতে করে অধিকাংশ শিক্ষার্থী সময়ের অভাবে ভালো ভাবে প্রশ্নপত্রের সব উত্তর দিতে না পেরে কান্নাকাটি করে হল থেকে বের হয়েছে।

এ ব্যাপারে হল সুপার মো. আব্দুস সামাদের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত মোবাইলে (সেল ফোনে) একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তা বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া যায়নি। কেন্দ্র সচিব মো. এমরান হোসেন বলেন, ২০১৯ সালের প্রশ্নপত্রের বান্ডিলের ভিতরে ভুলবসত ২০১৮ সালের প্রশ্নপত্র এসেছিল এবং কয়েকটি কক্ষের শিক্ষার্থীদের বিতরণ করা হয়েছিল। বিষয়টি নজরে আসার পর প্রশ্নপত্র দ্রুত পরিবর্তন করে ২০১৯ সালের প্রশ্নপত্র পরীক্ষার্থীদের সরবরাহ করা হয়।

আরও পড়ুনঃ চট্টগ্রাম ও ঢাকা বোর্ডের ১০ কেন্দ্রে ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষা

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আজগর হোসেন ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো, হারুন অর রশিদ বলেন, বিষয়টি দুঃখ জনক। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে এখন পর্যন্ত অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ এলে বিষয়টি তদন্ত করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইত্তেফাক/আরকেজি