অষ্টম শ্রেণির পড়াশোনা:বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

আপডেট : ২৫ জুন ২০২১, ২০:০১

মিজানুর রহমান, সহকারী শিক্ষক

পিরোজপুর সরকারি বালিকা

উচ্চ বিদ্যালয়

ঊনবিংশ শতাব্দীতে আধুনিক শিক্ষা ও জাগরণের ফলে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ  জাতীয়তাবাদী চেতনার 

বিকাশ ঘটে 

 

পোরগোলা গ্রামটি শিক্ষা দীক্ষায় অনেক পিছিয়ে। ফলে গ্রামবাসী শিক্ষা সংস্কৃতিসহ  সবদিক থেকে পশ্চাত্পদ।  এ গ্রামেরই এক শিক্ষিত, বিত্তবান ও প্রভাবশালী  যুবক  রাশেদ । সে গ্রামটিকে উন্নয়নের মূল ধারায় সম্পৃক্ত করার জন্য গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় , হাইস্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠা করে । তার প্রচেষ্টায় ধীরে ধীরে এলাকাবাসীর মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে পড়ে। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে এলাকাবাসী সমাজ সচেতন নাগরিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে । রাশেদের অবিরত প্রচেষ্টায় গ্রামবাসী নারীশিক্ষা, মানবাধিকার, মৌলিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠে।

ক. কত সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয় ?

খ. ভাস্কো ডা-গামা ইতিহাসে বিখ্যাত কেন?

গ. উদ্দীপকে বর্ণিত পরিস্থিতির আলোকে ঊনবিংশ শতাব্দীতে  বাংলায় কিসের উদ্ভব হয়েছিল? এ সম্পর্কে তোমার মতামত ব্যক্ত করো।

ঘ. ‘রাশেদের মতো  উন্নয়নকর্মী ও সংস্কারবাদী ব্যক্তিবর্গের কর্মতত্পরতার  ফলেই ভারতের স্বাধীনতার  পথ সুগম হয়েছে’  উক্তিটির বিশ্লেষণ করো।

উত্তর:ক. ১৮৫৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়।

খ. পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো ডা - গামা ১৪৯৮ সালে ইউরোপ থেকে ভারতে আসার জলপথ আবিষ্কার করেন । আর এ জলপথ  আবিষ্কারের ফলে ভারতবর্ষের সাথে ইউরোপের সহজ যোগাযোগ স্থাপিত হয়। ভারতবর্ষ এর ফলে বিশ্ব বাণিজ্য বিস্তারের  প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হয়। ভাস্কো ডা-গামা এ কারণে ইতিহাসে বিখ্যাত হয়ে আছেন।

গ. উদ্দীপকে রাশেদ তার গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় , হাইস্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে  একজন শিক্ষিত , বিত্তবান ও প্রভাবশালী সমাজ সংস্কারক হিসেবে গ্রামবাসীদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিয়েছে । তাদের সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলেছে । তাদেরকে দায়িত্ব সচেতন করেছে। নারীশিক্ষা , মৌলিক অধিকার , মানবাধিকার  এসব গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক বিষয়ে গ্রামবাসীকে সচেতন করেছে।  ঠিক তেমনি ঊনবিংশ শতাব্দীতে বাংলায় নবজাগরণের উদ্ভব ঘটেছিল। রাজা রামমোহন রায় ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ইংরেজদের সহযোগিতায় সমাজ সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন । ইংরেজদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত সারা দেশজুড়ে স্কুল ও কলেজের মাধ্যমে  মানুষের মাঝে নতুন চিন্তা-চেতনার উন্মেষ ঘটে। বহুকালের প্রচলিত বিশ্বাস, নানা সংস্কার , বিধান সম্পর্কে তাদের মনে সংশয় ও প্রশ্ন জাগতে লাগল। হিন্দু সমাজ থেকেই সতীদাহের মতো প্রথার বিরুদ্ধে  রীতিমতো আন্দোলন শুরু হলো । বিধবা বিবাহের পক্ষে জনমত তৈরি হলো। ঊনবিংশ শতাব্দীতে আধুনিক শিক্ষা ও জাগরণের ফলে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ  জাতীয়তাবাদী চেতনার  বিকাশ ঘটে। 

 

মিজানুর রহমান, সহকারী শিক্ষক

পিরোজপুর সরকারি বালিকা

উচ্চ বিদ্যালয়

ঊনবিংশ শতাব্দীতে আধুনিক শিক্ষা ও জাগরণের ফলে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ  জাতীয়তাবাদী চেতনার 

বিকাশ ঘটে 

 

পোরগোলা গ্রামটি শিক্ষা দীক্ষায় অনেক পিছিয়ে। ফলে গ্রামবাসী শিক্ষা সংস্কৃতিসহ  সবদিক থেকে পশ্চাত্পদ।  এ গ্রামেরই এক শিক্ষিত, বিত্তবান ও প্রভাবশালী  যুবক  রাশেদ । সে গ্রামটিকে উন্নয়নের মূল ধারায় সম্পৃক্ত করার জন্য গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় , হাইস্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠা করে । তার প্রচেষ্টায় ধীরে ধীরে এলাকাবাসীর মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে পড়ে। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে এলাকাবাসী সমাজ সচেতন নাগরিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে । রাশেদের অবিরত প্রচেষ্টায় গ্রামবাসী নারীশিক্ষা, মানবাধিকার, মৌলিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠে।

ক. কত সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয় ?

খ. ভাস্কো ডা-গামা ইতিহাসে বিখ্যাত কেন?

গ. উদ্দীপকে বর্ণিত পরিস্থিতির আলোকে ঊনবিংশ শতাব্দীতে  বাংলায় কিসের উদ্ভব হয়েছিল? এ সম্পর্কে তোমার মতামত ব্যক্ত করো।

ঘ. ‘রাশেদের মতো  উন্নয়নকর্মী ও সংস্কারবাদী ব্যক্তিবর্গের কর্মতত্পরতার  ফলেই ভারতের স্বাধীনতার  পথ সুগম হয়েছে’  উক্তিটির বিশ্লেষণ করো।

উত্তর:ক. ১৮৫৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়।

খ. পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো ডা - গামা ১৪৯৮ সালে ইউরোপ থেকে ভারতে আসার জলপথ আবিষ্কার করেন । আর এ জলপথ  আবিষ্কারের ফলে ভারতবর্ষের সাথে ইউরোপের সহজ যোগাযোগ স্থাপিত হয়। ভারতবর্ষ এর ফলে বিশ্ব বাণিজ্য বিস্তারের  প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হয়। ভাস্কো ডা-গামা এ কারণে ইতিহাসে বিখ্যাত হয়ে আছেন।

গ. উদ্দীপকে রাশেদ তার গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় , হাইস্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে  একজন শিক্ষিত , বিত্তবান ও প্রভাবশালী সমাজ সংস্কারক হিসেবে গ্রামবাসীদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিয়েছে । তাদের সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলেছে । তাদেরকে দায়িত্ব সচেতন করেছে। নারীশিক্ষা , মৌলিক অধিকার , মানবাধিকার  এসব গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক বিষয়ে গ্রামবাসীকে সচেতন করেছে।  ঠিক তেমনি ঊনবিংশ শতাব্দীতে বাংলায় নবজাগরণের উদ্ভব ঘটেছিল। রাজা রামমোহন রায় ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ইংরেজদের সহযোগিতায় সমাজ সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন । ইংরেজদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত সারা দেশজুড়ে স্কুল ও কলেজের মাধ্যমে  মানুষের মাঝে নতুন চিন্তা-চেতনার উন্মেষ ঘটে। বহুকালের প্রচলিত বিশ্বাস, নানা সংস্কার , বিধান সম্পর্কে তাদের মনে সংশয় ও প্রশ্ন জাগতে লাগল। হিন্দু সমাজ থেকেই সতীদাহের মতো প্রথার বিরুদ্ধে  রীতিমতো আন্দোলন শুরু হলো । বিধবা বিবাহের পক্ষে জনমত তৈরি হলো। ঊনবিংশ শতাব্দীতে আধুনিক শিক্ষা ও জাগরণের ফলে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ  জাতীয়তাবাদী চেতনার  বিকাশ ঘটে।