জলাবদ্ধতা নিরসনে পদক্ষেপ জরুরি

আপডেট : ২৫ জুন ২০২১, ২১:২৩

মো. আব্দুল্লাহ

জলাবদ্ধতা নিরসনে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা একান্ত প্রয়োজন। প্রতি বছরই জলাবদ্ধতার জন্য চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় নগরবাসীকে। ভোগান্তির শিকার হচ্ছে সর্ব শ্রেণির মানুষ। বৃষ্টির মৌসুমে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ডুবে যায় এবং পথচারীদের পড়তে হয় বিপদের মুখে। অনেক বছর যাবত্ এরকম ভোগান্তি চলে আসছে। প্রতি বছরই জলাবদ্ধতা নিরসের জন্য কাজ করা হয় কিন্তু আশানুরূপ ফল পাচ্ছে না জনগণ। সুপরিকল্পিত ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ গ্রহণ করলে জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। শহরে ড্রেন হচ্ছে পানি ওঠানামার অন্যতম মাধ্যম; কিন্তু ড্রেনগুলো ময়লার স্তূপে ভরপুর থাকে। পর্যাপ্ত পরিমান ডাস্টবিন না থাকায় মানুষ ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা ফেলে। আবার কখনো কখনো ডাস্টবিন থাকা সত্ত্বেও সচেতনতার অভাবে ড্রেনে বর্জ্য ফেলা হয়। যে কারণে পানির চলাচল আটকে যায় ও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। রাজধানীতে খাল, বিল, ডোবা, পুকুর একেবারেই নগন্য। যা আছে সেগুলো ময়লা-আবর্জনার কারণে পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে থাকে। আবার অবৈধ দখলে অনেক খাল, ডোবা, পুকুর হারিয়ে গেছে। ঢাকা মহানগরীর ড্রেন লাইনগুলো নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব ঢাকা ওয়াসার ছিল।  গত ৩১ ডিসেম্বর থেকে ওয়াসার দায়িত্বে থাকা সব খাল ও ড্রেন লাইনগুলো দুই সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর থেকে দখলকৃত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু হয়। পাশাপাশি খালগুলো শাখা-প্রশাখায় জমে থাকা ময়লা আবর্জনা, বর্জ্য অপসারণ শুরু হয়। তার পরেও সামান্য বৃষ্টি হলেই পুরো শহর পানিতে থইথই করে। শহরবাসী আশানুরূপ ফল পাচ্ছে না। জলাবদ্ধতা নিরসনে কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি একান্ত প্রয়োজন।

ঢাকা