টেকেরহাট (মাদারীপুর) সংবাদদাতা
মাদারীপুরের রাজৈরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। শুক্রবার রাতে উপজেলার আমগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে ওসিসহ সাত পুলিশ ও আরো অন্তত ১২ জন আহত হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে উত্তেজিত জনতা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদু রহমান টিপুকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে পুলিশ এসে ফাঁকা গুলি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং চেয়ারম্যানকে মুক্ত করে। পুলিশ জানায়, শুক্রবার বিকালে আমগ্রাম বাজারে বিচরণ বাড়ৈ নামে এক ব্যক্তির ওপর হামলা করে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদু রহমান টিপুর লোকজন। পরে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ধাওয়া পালটা ধাওয়া ও পরে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। জনতার ইটপাটকেলের আঘাতে রাজৈর থানার ওসি শেখ সাদিক ও ওসি (তদন্ত) মো. আনোয়ার হোসেনসহ সাত পুলিশ এবং আরো অন্তত ১২ জন আহত হয়। ওসি (তদন্ত) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, ৬৬ রাউন্ড শটগানের ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হয়েছে। এ সময় জনতার নিক্ষিপ্ত ইটের আঘাতে ওসিসহ সাত পুলিশ আহত হয়। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলা দায়ের হয়নি।
মোরেলগঞ্জে সংঘর্ষে আহত ১২
মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) সংবাদদাতা জানান, মোরেলগঞ্জ উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের কামলা বাজারে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে কমপক্ষে ১২ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার রাত ৮টার দিকে দুই দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থগিত থাকা ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল আলীম বলেন, বিদ্রোহী প্রার্থী হুমায়ুন কবির পরিস্থিতি অশান্ত করার জন্য পরিকল্পিতভাবে বহিরাগত লোকজন নিয়ে নৌকার কর্মীদের ওপর হামলা করেছে। অন্যদিকে বিদ্রোহী প্রার্থী হুমায়ুন কবির বলেন, কোনো কারণ ছাড়াই তার কর্মীদের ওপর হামলা করেছেন নৌকার সমর্থকেরা। এ বিষয়ে মোরেলগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত আছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
