‘নাটক হিট করানোর পথে আমি কখনো হাঁটিনি’

আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২১:০৩

ফেব্রুয়ারি এলে ছোটপর্দার নির্মাতাদের ব্যস্ততা অনেকটা বেড়ে যায়। সেই জায়গা থেকে আপনার সাম্প্রতিক ব্যস্ততা প্রসঙ্গে বলুন—

সামনে ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে ৪টি নাটক প্রচার হবে আমার। এরমধ্যে একাধিক টিভিতে প্রচার হবে ‘ক্লোজআপ কাছে আসার অসমাপ্ত গল্প’। এছাড়াও ‘ছেলেটা বেয়াদপ ২’, ‘ছোট্ট পাখির বাসা’ ও ‘পুরুষের কান্না’ শিরোনামে নাটকগুলো ইউটিউবের মাধ্যমে প্রচার করা হবে।

নাটক এখন টিভির চেয়ে ইউটিউবে বেশি প্রচার করা হচ্ছে। এখানে ইউটিউবের স্বাধীনতা কি মূল কারণ?

স্বাধীনতার চেয়েও বিষয় হচ্ছে আমার কাজটি দর্শকদের কাছে পৌঁছানো। এখন দর্শকরা প্রচুর নাটক ইউটিউবে দেখছেন। চ্যানেলের নাটকগুলোও পরবর্তীতে ইউটিউবে প্রচার হচ্ছে। এখন শুধু ইউটিউবেই নয়, বিভিন্ন স্ট্রিমিং সাইটেও নাটক প্রচার হচ্ছে। প্লাটফর্ম বাড়ার কারণে প্রতিযোগিতাও বাড়ছে। এটি ইতিবাচক দিক বলে মনে হয়।

ভালোবাসা দিবসের নাটক মানেই প্রেমের গল্প। কিন্তু প্রেমের উপস্থাপনাটা আমাদের নাটকে ভিন্নতা খুব কম এই সমালোচনা বরাবরই থাকে। এক্ষেত্রে আপনার মন্তব্য কী?

আমি আমার কথাটা বলতে পারি। ‘কাছে আসার অসমাপ্ত গল্প’ প্লাটফর্মটির মধ্য দিয়ে দর্শকদের গল্প বাছাই করে নাটক নির্মাণ করা হয়। এখানে প্রতিবারই ভিন্ন ভিন্ন গল্প পাওয়া যায়। এবারও তেমনটাই হয়েছে। এছাড়াও আমার অন্যান্য কাজগুলো নিয়েও আমি বিশ্বাসী, কোথাও আমি একঘেঁয়েমি প্রেমের গল্প আমি দেখাইনি। ‘ছোট্ট পাখির বাসা’ নাটকটিতে অপূর্ব ও মেহজাবীন অভিনয় করেছেন। পর্দায় তাদের একটি প্রেমের গল্পে অভিনয় করতে দেখা যাবে। তবে সেখানে গতানুগতিক ধারার কোনো গল্প পাওয়া যাবে না। আমি চাইলে নাটক হিট করানো জন্য অনেক সাধারণ গল্পে কাজ করতে পারতাম। তবে নাটক হিট করানোর পথে আমি কখনো হাঁটিনি।

অন্য নির্মাতাদের নাটকও আপনার দেখা হয়। সেখানে কতটুকু ভিন্নতা আপনার চোখে পড়ে?

আসলে নাটক নির্মাণের আগে গল্পটি নিয়ে বিভিন্ন কিছু চিন্তার করতে হয়। কিন্তু আমরা আসলে চিন্তা করতে চাই না। তবে অনেকেই চিন্তা করছেন। এটি আবার ইতিবাচক।

মাঝে ধারাবাহিক নাটক নির্মাণের কথা ছিল আপনার। সেই প্রসঙ্গে জানতে চাই—

এখন আমি নিজের নাটকগুলো প্রযোজনা করছি। যেহেতু নির্মাণ ও প্রযোজনার দু-দিকেই সময় দিতে হচ্ছে তাই এখন ধারাবাহিক নির্মাণের পরিকল্পনা নেই। তবে ভালো বাজেটের কাজ হলে তখন হয়তো করতে পারি। এছাড়া একক নাটকে আমি অভ্যস্ত হয়ে উঠেছি। এখানেই আমি কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।