আমাকে হত্যা করলে ওবায়দুল কাদেরসহ তিন জনকে হত্যা করা হবে :কাদের মির্জা

আপডেট : ২৬ জুন ২০২১, ২২:৪৭

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেছেন, আমাকে মেরে ফেললে তিন জনকে হত্যা করা হবে। তিনি তিন জনের নাম বলেছেন, তারা হলেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, তার স্ত্রী ইসরাতুন্নেছা কাদের ও নোয়াখালী-৪ আসনের এমপি একরামুল করিম চৌধুরী। তিনি গতকাল দুপুর ১২টায় পৌরসভা কার্যালয়ে নিজ ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আমার ঘরে শত্রু বিভীষণ। আজকে ঘরের শত্রু আমাকে শেষ   করে দিয়েছে। ওবায়দুল কাদের সাহেব আজ আমার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। কী জন্য নিয়েছে, আমি ওনার ও ওনার স্ত্রীর অপরাজনীতির বিরুদ্ধে কথা বলেছি। ওনাদের আমলনামা আমার হাতে আছে। আমি এখনো জনসম্মুখে তুলে ধরিনি, সংবাদ মাধ্যমে তুলে ধরিনি। ওবায়দুল আমার আত্মীয়স্বজনকে প্রভাব খাটিয়ে, অর্থ দিয়ে আমার বিরুদ্ধে অবস্থান করিয়েছে। কোম্পানীগঞ্জের ৯০ ভাগ নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ আমার পক্ষে আছে।’

তিনি বলেন, বিএনপি, জামায়াতের পুরো সন্ত্রাসী চক্র আমার প্রতিপক্ষ অপরাজনীতির হোতাদের সঙ্গে আছে। তাদের একটি পরিকল্পনা, মির্জাকে এখান থেকে সরিয়ে দিতে পারলে তারা কোম্পানীগঞ্জে কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারবে। হেফাজতে ইসলামও আমার বিরুদ্ধে।

তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশে বলেন, ‘নেত্রী আপনার জীবন সায়াহ্নে ১৫ বছর ক্ষমতা থাকাকালীন সময়ে অপরাজনীতির হোতাদের খাওয়াছেন। তারা আপনাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে? ওবায়দুল কাদেরের মতো তোষামোদকারীদের আর খাওয়াইয়েন না।’

তিনি সেতুমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আমি আল্লাহর পর আমার বাবা এবং এরপর আপনাকে মানতাম, এখন আল্লাহ পর শেখ হাসিনাকে মানি। এগুলো আসে অন্তর থেকে। আপনি নির্বাচনের পর থেকে ১০ টাকাও কোম্পানীগঞ্জের নেতাকর্মীদের পিছনে আপনার চালান নাই। মানুষকে সম্মান অন্তর থেকে আসে। আপনাকে সম্মান করার যোগ্যতা আপনার স্ত্রীর কারণে হারিয়েছেন।’

তিনি বলেন, আমার স্পষ্ট বক্তব্য—পুরো কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় শান্তি চাই। অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে, নেতাকর্মীদের মুক্তি দিতে হবে, হত্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।

উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের বাড়িতে ককটেল হামলা

উপজেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন সজলের বাড়িতে ককটেল হামলার ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সজলের বসুরহাট পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের হ্যাপী মহলের বাসায় শনিবার দুপুর ২টা ৩০মিনিটে একদল দুর্বৃত্ত এ হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে দুইটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করেছে  কোম্পানীগঞ্জ থানাপুলিশ।

সজল মেয়র আবদুল কাদের মির্জার অনুসারী ও বসুরহাট পৌরসভার ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত কাউন্সিলর মাকসুদাহ আক্তার হ্যাপীর ছেলে।