মাদক পাচার রোধে ভারত-মিয়ানমারের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে ------------------স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট : ২৭ জুন ২০২১, ০০:০৭

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আমাদের দেশে মাদক উত্পাদন হয় না। পাশের দেশগুলো থেকে পাচার হয়ে ঢুকছে। কিছু কুচক্রী মহল দেশে মাদকের বাজার তৈরি ও বিস্তারের পাঁয়তারা করে আসছে। এই মাদকের পাচার রোধে ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস-২০২১ উপলক্ষ্যে ভার্চুয়ালি এক আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনলাইন জুম মিটিংয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

মন্ত্রী বলেন, মাদকের পাচার একটি বৈশ্বিক সমস্যা। এ সমস্যার কারণে বাংলাদেশ চরম হুমকির মুখে পড়েছে। মাদকের কুচক্রীদের বিরুদ্ধে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দুর্বার সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে যেমন আমরা জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়িয়েছি, মাদকের বিরুদ্ধেও সমাজের সবাইকে নিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে হবে।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয় তৈরি করে, জনবল নিয়োগ এবং বিভিন্ন সাপোর্ট দিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের গতি বাড়ানো হয়েছে। তেজগাঁওয়ে সরকারি মাদক নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্রকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, আমরা ডোপ টেস্ট কার্যক্রম শুরু করেছি। ইতিমধ্যে সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে এটি চলমান রয়েছে। পর্যায়ক্রমে এটি সকল পর্যায়ে চলবে। তবে আপাতত এটি বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানের হাতে দিচ্ছি না। তিনি বলেন, ডোপ টেস্টের একটি কর্তৃপক্ষ তৈরি করতে ‘বাংলাদেশ ড্রাগ টেস্টিং ইনস্টিটিউট’ অথবা ‘বাংলাদেশ ড্রাগ টেস্টিং অথরিটি’ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষাজীবন থেকে শুরু করে চাকরিতে প্রবেশের শুরুতে সর্বক্ষেত্রে যদি ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হয়, তবে মাদকের আগ্রাসন কমে যাবে।