বাংলাদেশ ইকেবানা অ্যাসোসিয়েশনের ১১তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট : ২৭ জুন ২০২১, ০০:২২

শনিবার (২৬ জুন) বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ ইকেবানা অ্যাসোসিয়েশনের একাদশতম  বার্ষিক সাধারণ সভা ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হয়। করোনা মহামারির কারণে গতবছর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়নি। এবার ভার্চুয়ালি এই অনুষ্ঠানে সংগঠনের বাংলাদেশের সদস্য ছাড়াও জাপান, আমেরিকা ও ভারতের দার্জিলিং শাখার সদস্যগন সংযুক্ত হন। ঢাকাস্থ জাপান দূতাবাসের কালচারাল প্রতিনিধি মেগুমী শিমিজু এই সাধারণ সভায় সংযুক্ত হন।

সভার শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন সভাপতি শাহিনুর বেবী। প্রকাশিত স্যুভেনিরের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন সহসভাপতি ড. ফারহানা রহমান। করোনার মহামারির নানান সীমাবদ্ধতার পরও ২০২১-২০২১ সালের নানান কর্মকাণ্ড উপস্থাপন করেন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তাহমিনা আক্তার এলী এবং একই অর্থ বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পেশ করেন কোষাধ্যক্ষ সালমা আক্তার।

প্রধান অতিথি জাপান দূতাবাসের কালচারাল প্রতিনিধি মেগুমী শিমিজু বলেন, বাংলাদেশ ইকেবানা অ্যাসোসিয়েশন দীর্ঘদিন যাবত বাংলাদেশে ইকেবানাকে সঠিকভাবে তুলে ধরার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। করোনা মহামারির পরও এই সংগঠন তাদের  বিভিন্ন শাখার কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে এজন্য তাদেরকে আমি অনেক ধন্যবাদ জানাই।

বাংলাদেশ ইকেবানা অ্যাসোসিয়েশন গত বছরের ডিসেম্বরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপানিজ স্টাডিজ ডিপার্টমেন্টের সাথে এক সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করে। ঐ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ ইকেবানা অ্যাসোসিয়েশন জাপানিজ স্টাডিজ ডিপার্টমেন্টের ইকেবানাসহ জাপানি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, বিভিন্ন সেমিনার, ওয়ার্কশপ, উৎসবে সহযোগিতা করবে।

বাংলাদেশ ইকেবানা অ্যাসোসিয়েশন এর প্রতিষ্ঠাতা ড. একেএম মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, আমরা ১৯৭৩ সাল থেকে যাত্রা শুরু করে ৪৮ বছর অতিক্রম করেছি। যখন শান্তিনগরে জাপান সরকারের কনসাল জেনারেলের কার্যালয় ছিল তখন আমরা ইকেবানার কার্যক্রম শুরু করি। আমাদের প্রথম ব্যাচের ছাত্রী ছিলেন আমাদের প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানা। আমরা ইকেবানার বিভিন্ন ছোট ছোট সংগঠনকে একত্রিত করে বাংলাদেশ ইকেবানা অ্যাসোসিয়েশন গঠন করি। ঢাকাস্থ জাপান দূতাবাসের সহযোগিতা ছাড়া এই দীর্ঘপথ পাড়ি দেয়া সম্ভব ছিল না।

এখানে উল্লেখ্য  বাংলাদেশ ইকেবানা অ্যাসোসিয়েশনের একাদশতম  বার্ষিক সাধারণ সভা উপলক্ষে একটি মনোরম স্যুভেনির প্রকাশ করে। তাতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস এবং ঢাকাস্থ জাপান দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি পৃথক পৃথক বাণী প্রদান করেছেন।

বাংলাদেশ ইকেবানা অ্যাসোসিয়েশন ১৯৭৩ সাল থেকে জাপান দূতাবাসের সহযোগিতায় পরিচালিত হয়ে আসছে। ১৯৭৪ সালে প্রথম ব্যাচের ছাত্রী ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের  কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা।

বাংলাদেশ ইকেবানা অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক মাসুদ করিম জাপান দূতাবাসসহ সংগঠনের সকল সদস্যদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান।

ইত্তেফাক/এমআর