সিয়াটেলের ফ্রেড হাচিনসন ক্যান্সার গবেষণা কেন্দ্রের ভাইরোলজিস্ট এবং অধ্যাপক ড. জেসি ব্লুম উহান থেকে করোনাভাইরাসের প্রাথমিক কিছু ক্রম মুছে ফেলা আবিষ্কার করেছেন। যা সিকোয়েন্স রিড আর্কাইভে অনুপস্থিত ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, ক্রমগুলো চীনা গবেষকরা তাদের অস্তিত্বকে অস্পষ্ট করার জন্য মুছে ফেলেছিলেন। খবর প্রকাশ করেছে বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
ওয়াশিংটন পোস্টে ‘মহামারির উৎস সম্পর্কে চীনের স্বচ্ছতা নিয়ে সন্দেহ জাগছে’ শীর্ষক কলামে বলা হয়েছে, ড. জেসি ব্লুমের আবিষ্কার বেশ কিছু প্রশ্নকে আবারও জাগ্রত করছে যে চীন কিছু একটা লুকাচ্ছে সম্ভবত। এখন এটি গুরুত্বর ইস্যু, তাই টেকসই তদন্ত করার সময় এসেছে।

কলামে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মহামারিজনিত যে স্পার্কটি ঘনিয়ে এসেছে তার নিকটবর্তী হওয়ার জন্য সংক্রমিত ব্যক্তিদের প্রাথমিক ঘটনা বা রোগীদের খুঁজে পাওয়া জরুরি।
এই রোগীদের দ্বারা প্রাপ্ত প্রমাণগুলোর মধ্য দিয়ে এটা জানা যেতে পারে যে, ভাইরাসটি কোনো প্রাণী হোস্ট থেকে মানুষের শরীরে এসেছে কিনা, একটি জুনোটিক স্পিলওভারে, অথবা সংক্রমণটি উহান ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজির একটি অসতর্ক দুর্ঘটনা থেকে এসেছে। অবশ্য এখন পর্যন্ত প্রথম দিকের করোনা রোগীদের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
যখন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং চীনের একটি যৌথ মিশন মহামারিটির উত্স অনুসন্ধানের প্রাথমিক প্রচেষ্টা চলাচ্ছিল, তখন একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ বিশ্বব্যাপী জিনোমিক সিকোয়েন্স ডেটাবেসের সম্ভাব্যতা আনলক করার ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে, কলামে উল্লেখ করা হয়।
বিজ্ঞানীরা আশা করছেন যে, তারা জেনেটিক ব্লুপ্রিন্টগুলো খুঁজে পেতে পারেন। যা ভাইরাসটির বিবর্তন এবং মানুষের কাছে যাওয়ার পথ সম্পর্কে একটি সূত্র বের করতে পারে।
ইত্তেফাক/টিএ
