যশোর অফিস
ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষে রাজনীতি শুরু করেছেন এমন ক্রিকেটারের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। অনেকেই ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষ করে রাজনীতির ক্যারিয়ার শুরু করেছেন। আবার কেউ কেউ তো খেলা অবস্থাতেই পা ফেলেছেন রাজনীতির ময়দানে। বিশ্বের বাঘা বাঘা ক্রিকেটাররা রাজনীতি শুরু করেছেন ক্রিকেট শেষে। ভারতের কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকার, মোহাম্মদ আজহার উদ্দিন, শ্রীলঙ্কার অর্জুন রানাতুঙ্গা ও সনাত্ জয়াসুরিয়া শুরু করেছেন রাজনীতির অধ্যায়।
পাকিস্তানের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইমরান খান তো নিজের দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। এছাড়া ভারতের গৌতম গম্ভীর হয়েছেন নিজের শহর দিল্লির সংসদ সদস্য। তবে বাংলাদেশে ক্রিকেট থেকে রাজনীতির মাঠ খুব একটা দেখা যায় না। অবশ্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। নিজের শহর নড়াইল-২ আসন থেকে এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন।
বন্ধু মাশরাফির কাছ থেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে রাজনীতির মাঠে নামছেন ক্রিকেটার সৈয়দ রাসেল। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে ৬টি টেস্ট, ৫২টি ওয়ানডে, আন্তর্জাতিক ৮টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন সৈয়দ রাসেল। ক্রিকেট ক্যারিয়ারের পর যোগ দেন ক্রিকেটের কোচিং পেশায়। তবে ক্রিকেট অঙ্গন ছেড়ে রাজনীতির খেলার মাঠে এবার যশোরের ঝিকরগাছার সন্তান বাঁহাতি এই পেসার। বন্ধু মাশরাফির কাছ থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই রাজনীতির ময়দানে নামছেন তিনি।
ছাত্রাবস্থায় তিনি ঝিকরগাছা কলেজ ছাত্রলীগের শিক্ষা ও পাঠাগার সম্পাদক ছিলেন। গত ২০ জুন যশোর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আসাদুজ্জামান মিঠু ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ নুরে আলম সিদ্দিকী মিলন স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ঝিকরগাছা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি দিয়েছেন। সেই কমিটিতে জাতীয় দলের সাবেক এই ক্রিকেটার সৈয়দ রাসেল যুগ্ম-আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন।
সৈয়দ রাসেল সাংবাদিকদের বলেন, আমাকে যারা যোগ্য মনে করে রেখেছেন তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তবে রাজনীতিতে কী লক্ষ্য সেটা এখনো ঠিক করেননি বলে জানিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক এই তারকা ক্রিকেটার।
