প্যারাময় ডায়বেটিস

আপডেট : ১৭ নভেম্বর ২০১৮, ১৯:২৬

গত ১৪ নভেম্বর ছিল বিশ্ব ডায়বেটিস দিবস। এই ডায়বেটিস দিবস ও ডায়বেটিস রোগীদের নিয়ে কিছু মজার ও অবান্তর পরিস্থিতির কথা চিন্তা করেছেন ভুয়া ডায়বেটিস গবেষক সুদিপ্ত কুমার নাগ। এবার সেগুলো দেখে নেওয়া যাক—

v কোথাও বেড়াতে যাওয়ার পর কেউ মিষ্টি খেতে দিলে, ডায়বেটিস রোগীরা কথা ঘুরিয়ে মিষ্টি না খাওয়ার বাহানা করে।

আপনি আসবেন জন্য আজকে ঘোষ ডেইরি থেকে স্পেশাল অর্ডার দিয়ে পাঁচ রকমের মিষ্টি কিনেছি। তাড়াতাড়ি খাওয়া শুরু করেন।

একটু আগেই আমি বাসা থেকে ভাত খেয়ে এসেছি। এখন আর মিষ্টি খাব না, এগুলো নিয়ে যান।

v ডায়বেটিস রোগীদের অতিরিক্ত হাঁটাহাঁটি করার অভ্যাস থাকার কারণে অনেকে হেঁটে অফিসে যায় এবং টাকা ব্যাংকে জমায়।

আমি আর আপনি সমান বেতন পাই, তারপরও আপনি মাস শেষে আমার থেকে বাড়তি ২৫০০ টাকা কীভাবে জমা করেন?

এটা হলো ডায়বেটিসের কৃতিত্ব। ডায়বেটিস থাকার কারণে নিয়মিত হেঁটে অফিসে যাওয়া আসা করি। এজন্য মাসে অনেক টাকা বেঁচে যায়।

v যাদের শ্বশুরবাড়ির লোকজনের ডায়বেটিস আছে, তাদের ক্ষেত্রে শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার সময় মিষ্টি নিয়ে যাওয়া লাগে না এবং অনেক টাকা বেঁচে যায়।

 

বুঝছিস বন্ধু, টাকা খরচের ভয়ে আমি শ্বশুরবাড়ি যাই না। সেখানে গেলেই ২০০০ টাকার মিষ্টি নিয়ে যাওয়া লাগে।

তাহলে তো আমি অনেক ভাগ্যবান। আমার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সবার ডায়বেটিস আছে, ফাও বাড়তি টাকা খরচ করে মিষ্টি নিয়ে যাওয়া লাগে না।