জিম্বাবুয়ে গেলেন টাইগাররা
স্পোর্টস রিপোর্টার
পাঠক যখন এই রিপোর্টটি পড়ছেন ততক্ষণে জিম্বাবুয়ের উদ্দেশ্যে দেশ ছেড়ে গেছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ৪টা ২৫ মিনিটের ফ্লাইটে উড়াল দেওয়ার কথা টাইগারদের। বিমানে চড়ার আগে দুই দফা করোনা পরীক্ষায় নেগেটিভ রিপোর্ট পেতে হয়। গত ২৫ ও ২৭ জুন ক্রিকেটার, কোচিং স্টাফ মিলে ২৬ জনের নমুনা নেওয়া হয়েছিল। আশার কথা দলের সবাই নেগেটিভ রিপোর্ট পেয়েছেন।
আট বছর পর পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে জিম্বাবুয়ে সফরে গেল বাংলাদেশ দল। ক্রিকেটের মানচিত্রে জিম্বাবুয়ে এখন কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে। কিন্তু কন্ডিশন ভিন্ন বলে এই সফরে ক্রিকেটারদের আত্মতুষ্টি না ভুগতে সতর্ক করে দিয়েছেন জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু। তার মতে, বাংলাদেশের পূর্ণশক্তির দলটার প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে জিম্বাবুয়ের কন্ডিশনে মানিয়ে নেওয়া।
গতকাল নান্নু বলেছেন, ‘অবশ্যই আমরা আশা করছি জিম্বাবুয়েতে ভালো কিছু হবে। কিন্তু এটা সহজ হবে না। আমরা লম্বা সময় পর সেখানে যাচ্ছি। স্বাভাবিকভাবেই নিজেদের মাঠে সব দলই কঠিন। কারণ তারা প্রতিপক্ষের চেয়ে কন্ডিশন সম্পর্কে ভালো জানে।’ জিম্বাবুয়েতে পরিবেশ ঠান্ডা, কন্ডিশন পুরোই আলাদা। সেখানেই বড় চ্যালেঞ্জ দেখছেন প্রধান নির্বাচক। তিনি বলেছেন, ‘কন্ডিশনের বিষয়টা বড় চিন্তার। কারণ আমাদের থেকে পুরোপুরি আলাদা। অনেক ঠান্ডা অনেক, যেখানে আমরা এখন গরমে ম্যাচ খেলেছি, অনুশীলন করেছি।’
স্পিন খেলায় এবং স্পিন বোলিংয়ে বাংলাদেশ সিদ্ধহস্ত। তাই বাংলাদেশের বিপক্ষে পেসবান্ধব উইকেটে খেলবে জিম্বাবুয়ে, এমনটাই ধারণা করছেন নান্নু। যেখানে বাংলাদেশের পেসারদের কাছে ভালো বোলিং আশা করছেন তিনি। কন্ডিশন পক্ষে থাকবে বলে পেসারদের দায়িত্ব নিতে হবে।
প্রধান নির্বাচক বলেছেন, ‘আমরা স্পিন দিয়ে ওদের সবসময় সমস্যায় ফেলেছি। স্বাভাবিকভাবেই তারা স্পিনিং উইকেট করবে না। আশা করা যায় ওরা পেসবান্ধব উইকেটে খেলবে। তাই আমাদের পেসারদের এগিয়ে আসতে হবে এবং দায়িত্ব নিতে হবে।’ জিম্বাবুয়েতে ২০১৩ সালে সর্বশেষ সফরে দুই টেস্টের সিরিজ ১-১ এ ড্র করেছিল মুশফিক বাহিনী। এবার একমাত্র টেস্টে জয়ের জন্যই খেলবে বাংলাদেশ। নান্নু বলেন, ‘টেস্ট ম্যাচ জিততে হলে আপনাকে ২০ উইকেট নিতে হবে। আমাদের বিশ্বাস, আমাদের সেই সামর্থ্য আছে। একই সঙ্গে আমাদের ব্যাটসম্যানদের ভালো করতে হবে। কারণ এটা এক ম্যাচের সিরিজ। ঘুরে দাঁড়ানোর দ্বিতীয় সুযোগ নেই। তাই সবাইকে সেরা দিয়ে, দায়িত্ব নিয়ে খেলতে হবে।’ তবে সফরে যাওয়ার আগে আনুষ্ঠানিকভাবে কথা বলতে রাজি হননি টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক। হারারেতে ৭ জুলাই শুরু হবে সিরিজের একমাত্র টেস্ট।
