কারাগারে কয়েদি শনাক্তে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি কেন নয় :হাইকোর্ট

আপডেট : ২৯ জুন ২০২১, ০০:৫২

দেশের সব কারাগারে কয়েদিদের পরিচয় শনাক্তে ফিংগারপ্রিন্ট ও আইরিশ স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক ডাটা পদ্ধতি চালু করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব ও কারা মহাপরিদর্শককে দুই সপ্তাহের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। চট্টগ্রামে সাজাপ্রাপ্ত আসামির পরিবর্তে আরেক নারীর জেলখাটা মামলার শুনানি শেষে বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমানের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল সোমবার এই আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে মোহাম্মদ শিশির মনির ও রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ শুনানি করেন।

এদিকে হাইকোর্টের তলব আদেশে গতকাল হাজির হয়েছিলেন চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২-এর স্পেশাল পিপি এম এ নাসের, আইনজীবী নুরুল আনোয়ার, আইনজীবী বিবেকানন্দ চৌধুরী, আইনজীবী পুষ্পেন্দ বিকাশ কানুনগো ও আইনজীবী সহকারী সৌরভ হোসেন। এদের পক্ষে তাদের আইনজীবীরা লিখিত ব্যাখ্যা জমা দেন।

চট্টগ্রামে এক গার্মেন্টস কর্মীকে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয় কুলসুম আক্তার কুলসুমীকে। কিন্তু তার পরিবর্তে জেল খাটছেন মিনু বেগম। বিষয়টি গত মার্চ মাসে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ৪র্থ আদালতের বিচারকের নজরে আনেন সিনিয়র জেল সুপার মো. শফিকুল ইসলাম খান। পরে মিনুকে আদালতে হাজির করে তার বক্তব্য রেকর্ড করে আদালত। কিন্তু যাবজ্জীবন সাজার বিরুদ্ধে আপিল উচ্চ আদালতে বিচারাধীন থাকায় অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত কোনো আদেশ না দিয়ে নথি সুপ্রিম কোর্টে পাঠিয়ে দেন। পরে বিষয়টি হাইকোর্টের নজরে আনেন আইনজীবী মো. শিশির মনির। এরপর হাইকোর্ট মিনুকে মুক্তির নির্দেশ দেয়। পরে তিনি কারাগার থেকে ছাড়া পান।