বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞদের ধারণা, পোশাক ও সেবা খাতের সঙ্গে ভবিষ্যতে আইটি সেক্টরই প্রতিযোগিতা করবে। দেশের কর্মসংস্থানে এ সেক্টর যে বড় একটা প্রভাব বিস্তার করবে, তা সহজেই বোঝা যাচ্ছে। আর তাই তো বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে যে বিষয়গুলো বা খাতগুলো, তার মধ্যে একটি আইটি সেক্টর। আমরা আশা রাখতে পারি, খুব অল্প সময়ের মধ্যে আমাদের প্রযুক্তি খাতের রপ্তানি গার্মেন্টস খাতকে অতিক্রম করবে। বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলোতে আইটি-আইটিএস সেবা দেওয়া হচ্ছে। আর এ দেশেই রয়েছে আইটি খাতের অপার সম্ভাবনা ও সুযোগ, প্রয়োজন শুধু সামান্য উদ্যোগের। আর কিছু মানুষ এই অপার সম্ভাবনা ও সুযোগকেই কাছে লাগাতেই গ্রহণ করছে নানাবিধ উদ্যোগ। Digital Entrepreneur Hub ঠিক তেমনই একটি উদ্যোগ। যেটি গ্রহণ করেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত হেমী হোসেইন, যিনি প্রায় ২০ বছর ধরে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছেন।
Digital Entrepreneur Hub অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক একটি এডুটেক প্ল্যাটফর্ম— যারা কাজ করছেন ডিজিটাল উদ্যোক্তা তৈরিতে। এখান থেকে বাংলাদেশি তরুণ-তরুণী ও প্রফেশনালরা শিক্ষা গ্রহণ করে বৈশ্বিক ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের একটা অংশ হতে পারবে। প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যেই বিশ্বের বেশ কিছু উন্নয়নশীল দেশে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে । বর্তমানে বাংলাদেশে তাদের ছয়টি সেন্টার রয়েছে। এদের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশসহ বিভিন্ন উন্নয়নশীল দেশের জনগণকে দক্ষ মানবসমপদে রূপান্তর করে উন্নতদেশগুলোর উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত করে দেওয়া। প্রতিষ্ঠানটির সিইও হেমী হোসেইন বলেন, ‘আমাদের তরুণ-তরুণী ও প্রফেশনালরা যদি নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধি করে সক্ষমতা অর্জনের মাধ্যমে কাজ করে তবে তারা বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশকে ভিন্ন এক উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারবে। Digital Entrepreneur Hub বাংলাদেশের তরুণ-তরুণী ও প্রফেশনালদের কয়েক ধাপ এগিয়ে নিয়ে উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনীতিতে সরাসরি ইতিবাচক প্রভাব রাখতে পারবে বলে আশা করি।’
