তাবলিগ জামাতের বিরোধ মিটে গেছে ঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২২:০৭

১৫-১৭ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ইজতেমা

বিশেষ প্রতিনিধি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে আয়োজিত ইজতেমা ও পরিচালনা পদ্ধতি নিয়ে তাবলিগ জামাতের মধ্যে বিরাজমান বিরোধ মিটে গেছে। উভয়পক্ষের ঐকমত্যের ভিত্তিতেই ইজতেমার পূর্বনির্ধারিত তারিখ ঠিক থাকছে। তবে মোনাজাত পরিচালনা কে করবেন এবং মাওলানা সাদ ইজতেমার ময়দানে হাজির থাকবেন কি না, তা  ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে উভয় পক্ষ ঠিক করে নেবেন। গতকাল রবিবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দফতরে উভয় পক্ষের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ সব কথা জানান।

এর আগে উভয়পক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেই আগামী ১৫ থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইজতেমার তারিখ নির্ধারণ করা হয়। তবে ইজতেমায় নামাজের ইমামতি, মোনাজাত পরিচালনা ও মাওলানা সাদের উপস্থিতি নিয়ে উভয়পক্ষ ঐকমত্যে আসতে পারেনি। এরই প্রেক্ষিতে গতকালের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, তুরাগ নদের তীরে তাবলিগ জামাতের উদ্যোগে বিশাল ধর্মীয় জমায়েত অনুষ্ঠিত হয়। গত কয়েক বছর ধরে তাবলিগ জামাতের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দ্বিমত তৈরি হয়। এরই প্রেক্ষিতে সারা দুনিয়াতে তাবলিগ জামাত দুইভাবে ভাগ হয়ে যায়। বাংলাদেশেও তার কিছুটা প্রভাব পড়ে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, তাবলিগ জামাতের বৃহত্তম জামাতটি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়। এখানে সারা বিশ্ব  থেকে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশ নেন। সেই কারণেই সরকারের একটা বিরাট দায়িত্ব ও  কর্তব্য রয়েছে এ ইজতেমাকে কেন্দ্র করে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিত যাতে স্বাভাবিক থাকে, মুসল্লিদের যাতে কোনো অসুবিধা না হয় এ কারণেই সব বিষয় নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। উভয়পক্ষই শান্তিপূর্ণভাবে ইজতেমা সম্পন্ন করার বিষয়ে একমত পোষণ করেছে।

এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অন্য দু-একটি বিষয় নিয়ে যে সমস্যা রয়েছে তা নিরসনে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী উভয়পক্ষের দুইজন করে মোট চারজন মুরব্বি নিয়ে বসবেন।