নদীভাঙন রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ চাই

আপডেট : ০১ জুলাই ২০২১, ২১:৪০

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো নদীভাঙন। বর্ষাকালে নদীর প্রবাহের বিস্তৃতি অনেক বেশি থাকে। এতে দুকূলে ভাঙন হয়। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা উন্নয়ন অন্বেষণের এক হিসাবে দেখা গেছে, প্রতিবছর বাংলাদেশে গড়ে আট হাজার সাতশ হেক্টর জমি নদীতে বিলীন হয়। যার বেশিরভাগ কৃষিজমি। ক্ষতিগ্রস্ত অর্ধেক লোকেরই টাকার অভাবে ঘরবাড়ি তৈরি করা সম্ভব হয় না। তারা হয় গৃহহীন, ছিন্নমূল। প্রতিবছরের ন্যায় এবারো ইতিমধ্যেই নদীভাঙনের কবলে পড়েছে অনেক নদী তীরবর্তী এলাকা। পত্র-পত্রিকায় নদীভাঙনের খবর এখন প্রায়শই চোখে পড়ে। কিন্তু চাইলেই এই নদীভাঙনের অভিশাপ থেকে প্রাণের ভূখণ্ড বাংলাদেশকে অনেকাংশে মুক্ত করা সম্ভব। বাংলাদেশে যে নদী ভাঙন, তা নিছক প্রাকৃতিক প্রতিক্রিয়া নয়? দীর্ঘ অবহেলা ও পরিকল্পনাহীনতা কিংবা উন্নয়নের ভ্রান্ত মডেলই আমাদের নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোকে নদীর করাল গ্রাসের কাছে বিপন্ন করে তুলেছে ?নদী ভাঙন রোধে প্রতি অর্থবছরে মোটা অংকের অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয় কিন্তু যথাযথ পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন না করার ফলে বাজেটের অর্থ খরচ হয় ঠিকই কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় না। বরাদ্দকৃত অর্থ যাতে সঠিকভাবে সঠিক স্থানে পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যায় হয় সেদিকে বিশেষ লক্ষ রাখতে হবে। কেবল ভাঙন এলাকায় মনোযোগ নিবদ্ধ করে ভাঙন ঠেকানো যাবে না? ভাঙন রোধে গোটা নদীকে নিয়ে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ ও দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে?এ ব্যাপারে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

শাহ মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ, রাজারহাট,কুড়িগ্রাম।