নাটোর সদর হাসপাতাল
নাটোর প্রতিনিধি
করোনা রোগীদের জন্য নাটোর সদর হাসপাতালে চিকিত্সা ব্যবস্থা অপর্যাপ্ত। গুরুতর হলেই দৌড়াতে হয় রাজশাহী বা বগুড়ায়। নাটোর হাসপাতালে নেই সেন্ট্রাল অক্সিজেনের ব্যবস্থা, নেই সিসিইউ, আইসিইউ। আবার পর্যাপ্ত অক্সিজেন সিলিন্ডারও নেই। এদিকে প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা শনাক্তের সংখ্যা। এমন অবস্থায় অসহায় হয়ে পড়ছেন করোনা শনাক্ত হওয়া রোগী ও তাদের স্বজনরা।
এ ব্যাপারে নাটোর সদর হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. পরিতোষ কুমার রায় বলেন, ‘আমাদের আইসিইউ, সিসিইউ ব্যবস্থা নাই। করোনা রোগীর জন্য যাবতীয় ওষুধপত্র যা যা প্রয়োজন আমরা সরবরাহ করছি। বর্তমানে ছোট-বড় মিলিয়ে ২৩৩টা অক্সিজেন সিলিন্ডার, একটা হাই-ফ্লো নাজ্যাল, দুটা ভেন্টিলেটর আছে। যা অপর্যাপ্ত। এখানে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাইয়ের জন্য যদি ডিআই ট্যাংক বসানো যেত তাহলে করোনা রোগীদের অক্সিজেন প্রাপ্তি আরো ভালো হতো। অক্সিজেন রিফিল করার জন্য রাজশাহী যেতে হয়, যা খুবই ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট যে নতুন ভবন হচ্ছে তা হয়ে গেলে এবং আইসিইউ, সিসিইউ হলে করোনা রোগীদের জন্য আরো পরিপূর্ণ সেবা দেওয়া যেত। বর্তমানে কোভিডের জন্য অক্সিজেন সরবরাহকে বড় বিষয় হিসেবে ধরা হচ্ছে।’
নাটোর সিভিল সার্জন ডা. কাজী মিজানুর রহমান জানান, প্রতিদিনই নাটোরে করোনা শনাক্তের হার বাড়ছে। এ থেকে পরিত্রাণের জন্য সবাইকে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। আর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।
উল্লেখ্য নাটোর ও সিংড়া পৌরসভায় কঠোর বিধিনিষেধের আওতায় তৃতীয় দফাসহ জেলার অপর ছয়টি পৌর এলাকায় বুধবার থেকে জারি করা কঠোর বিধিনিষেধ চলছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা শহরের বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিক মোবাইল টিম কাজ করছে। এছাড়া সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী সোমবার থেকে দূরপাল্লাসহ অভ্যন্তরীণ বাস চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
