বিলীন হচ্ছে পিছলাকুড়ী তারাকান্দা পাকা সড়ক

আপডেট : ০২ জুলাই ২০২১, ২২:৩৬

ভারী বর্ষণ ও ঢল

নকলা (শেরপুর) সংবাদদাতা

গত কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের প্রবল স্রোতের কারণে ভোগাই নদীর পাড়ঘেঁষা পিছলাকুড়ী-তারাকান্দা পাকা সড়কটি হুমকির মুখে পড়েছে। সড়কের কোথাও কোথাও প্রায় অর্ধেক অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বর্ষা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নদীতে স্রোত বেড়ে সড়কে ধস তীব্র হয়।

নকলা উপজেলার পিছলাকুড়ী ও তারাকান্দা গ্রামের ভুক্তভোগীরা জানান, গত কয়েক বছর ধরে ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে পিছলাকুড়ী-তারাকান্দা পাকা সড়কটি হুমকির মুখে পড়েছে। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তারাকান্দা বাজার থেকে আধা কিলোমিটার দূরে তৈয়ব আলী ও নিজাম উদ্দিনের বাড়ির সামনে সড়কটির কিছু অংশ ইতিমধ্যেই ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এখানে বিকল্প কাঁচা রাস্তা দিয়ে যানবাহন ও মানুষ চলাচল করছে।

এলাকাবাসী জানিয়েছে, নদীটি পাকা সড়ক থেকে ৪০০-৫০০ ফুট দূরে ছিল কিন্তু রাস্তার পাশ থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের কারণে নদীর গতিপথ পরিবর্তীত হয়ে গত বছর রাস্তাসংলগ্ন জমি ভাঙনের শুরু হয়। শুকনো মৌসুমে সেখানে কিছু বালু ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা করা হলেও এবার বর্ষার শুরুতেই নদীর স্রোতে রাস্তা ভেঙে নিয়ে গেছে। আর সামান্য ভাঙন হলেই নিজাম উদ্দিনের বাড়িসহ আরো কয়েকটি বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাছাড়া পিছলাকুড়ী-তারাকান্দা সড়কটি ধসে গেলে ঢলে ও বন্যার পানিতে ছয়লাব হয়ে যাবে নকলা উপজেলার বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ। তলিয়ে যাবে রাস্তাঘাট ও ঘরবাড়ি। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি আমরা জেনেছি, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. শাহজাহান বলেন, ‘এই সড়কটি এলজিইডির। সড়ক ধসে যাওয়ার ব্যাপারে জেনেছি। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’