বরিশালে কঠোর লকডাউন দ্বিতীয় দিনেও কার্যকর

আপডেট : ০২ জুলাই ২০২১, ২৩:৪০

কঠোর লকডাউনের দ্বিতীয় দিনও ভালোভাবেই কার্যকর হয়েছে বরিশালে। জরুরি পণ্য ছাড়া বেশির ভাগ দোকানপাটই ছিল বন্ধ। বন্ধ ছিল দূরপাল্লার ও স্থানীয় রুটের লঞ্চ-বাস। নগরীর অভ্যন্তরে কিছু রিকশা চলাচল করলেও অন্যান্য গণপরিবহন ছিল বন্ধ। লকডাউনের প্রথম দিন বৃহস্পতিবারের চেয়ে গতকাল শুক্রবার রাস্তায় মানুষের চলাচল কিছুটা বাড়লেও পরিস্থিতি সন্তোষজনক বলে দাবি করেছে প্রশাসন। রাস্তায় বের হওয়া বেশির ভাগ মানুষেরই গন্তব্য ছিল বাজার এবং ওষুধের দোকান। তবে লকডাউন পরিস্থিতি দেখতে অযথাই রাস্তায় বের হন কিছু মানুষ। সকালের দিকে নগরীর বাজারগুলোতে কিছুটা ভিড় থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফাঁকা হয়ে যায় বাজার। এছাড়া নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ওষুধ, নিত্যপণ্য ও ফ্লেক্সি লোডের দোকান খোলা ছিল। খোলা রাখা চায়ের দোকানগুলোতে কিছুটা ভিড় দেখা গেছে। লকডাউন বাস্তবায়ন নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন নগরবাসী। বরিশাল নগরীর প্রবেশদ্বারে গতকালও ট্রাফিক পুলিশের চেকপোস্ট যথেষ্ট কার্যকর ছিল। সকাল থেকে মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার জাকির হোসেন মজুমদার চেকপোস্টগুলো পরিদর্শন করেন। রাস্তায় মানুষজনের অযথা চলাচল ঠেকাতে নগরীর ২০টি পয়েন্টে চেকপোস্ট স্থাপন করেছে পুলিশ। অপ্রয়োজনে কেউ রাস্তায় বের হলেই তাকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনছেন তারা।

অপরদিকে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনসহ বাজারে নজরদারি অব্যাহত রাখে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত, নগরীর বিভিন্ন স্থানে চালিয়েছে অভিযান। এ সময় নিত্যপণ্যের অতিরিক্ত দাম রাখা এব স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন না করায় কয়েক জনকে জরিমানা করা হয়েছে বলে জানান ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাভেদ হোসেন চৌধুরী।