যুক্তরাষ্ট্রের মানবপাচার প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান অপরিবর্তিত

আপডেট : ০৩ জুলাই ২০২১, ০০:১৬

মানবপাচার নির্মূলে ন্যূনতম মানদণ্ডগুলো সম্পূর্ণরূপে পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশ। তবে এক্ষেত্রে সরকারের উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টা রয়েছে। তাই গত বছরের মতো এবারও মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ট্রাফিকিং ইন পারসনস (টিআইপি)-২০২১ এর প্রতিবেদনে স্তর ২ তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। প্রসঙ্গত, তিন বছর ধরে এই প্রতিবেদনে ‘স্তর ২ পর্যবেক্ষণ’ তালিকায় থাকার পর গত বছর পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় ‘স্তর ২’ তালিকায় উঠে আসে বাংলাদেশ।

এবারের প্রতিবেদনে ১৮৮টি দেশের পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা হয়েছে এবং পাচারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের ওপর ভিত্তি করে চারটি স্তরে প্রত্যেকটি দেশকে স্থান দেওয়া হয়েছে। প্রথম স্তরে রয়েছে শ্রেষ্ঠ তালিকা এবং তৃতীয় স্তরে সবচেয়ে খারাপ তালিকা। দুটি মধ্যম স্তর রয়েছে: স্তর ২ এবং স্তর ২ পর্যবেক্ষণ তালিকা। এক্ষেত্রে যে দেশসমূহকে তৃতীয় স্তরে স্থান দেওয়া হয়েছে তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র এবং আন্তর্জাতিক বিদেশি সহায়তা সীমিত করা হবে। এবারের প্রতিবেদনে মানবপাচার বিষয়ে যথাযথ কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্য ১৭টি দেশকে দোষারোপ করা হয়েছে। 

প্রতিবেদন প্রকাশকালে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন বলেন, মানবপাচার বিশ্বব্যাপী একটি সংকট এবং মানবিক দুর্দশার এক বিরাট উত্স। এই অপরাধ মানবাধিকার ও মানব মর্যাদাকে অপমান করে।

উল্লেখ্য, বার্ষিক মানবপাচার বিষয়ক ঐ প্রতিবেদনে বাংলাদেশ অংশে গত বছরের ন্যায় আবারও উঠে এসেছে কুয়েতে মানবপাচার ও অবৈধ মুদ্রা পাচারের অভিযোগে আটক সাবেক এমপি কাজী শহিদ ইসলামের (পাপুল) বিষয়। সরকার মানবপাচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জাতীয় কর্মপরিকল্পনার ৯৫ শতাংশ অর্থায়ন করেছে বলেও জানিয়েছে। তবে সরকার বেশ কয়েকটি জায়গায় ন্যূনতম মানদণ্ডও পূরণ করতে পারেনি।