ফল

গ্রীষ্মের ফল কাঁঠাল

আপডেট : ০৩ জুলাই ২০২১, ১৯:৪০

বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল। পাকা কাঁঠালের স্বাদের কথা কারো অজানা নয়। আবার কাঁচা কাঁঠালের তরকারিও স্বাদে গুণেও দারুণ মজা। কাঁঠাল রোগব্যাধি উপশমে যেমন কার্যকর, তেমনি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও অনেক গুণ বাড়িয়ে দেয়। কাঠাঁলের বৈজ্ঞানিক নাম আর্টোকার্পাস হেট্রোফাইলা (Artocarpus hetrophyllus), এটি মোরাসিয়া পরিবারের আর্টোকার্পাস গোত্রের ফল।

বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্রই সুস্বাদু কাঁঠাল পাওয়া যায়। মে থেকে জুলাই (জৈষ্ঠ্য- শ্রাবণ) মাসে ফল খাওয়ার পর বীজ সংগ্রহ করতে হয়। শ্রাবণ মাসের শেষার্ধে গাছে ফল থাকলে সে ফলের বীজে অঙ্কুরোদ্গম হয়। বীজ সরাসরি ব্যাগে বা বেডে বপন করতে হয়। বীজ বপনের পর প্রথমাবস্থায় ছায়া দিতে হয়। শতকরা একশত ভাগ বীজেই অঙ্কুরোদ্গম আসে। সাধারণত চারার  বয়স ১২ মাস পূর্ণ হলে  জুলাই মাসে লাগাতে হয় । অঞ্চল ভেদে দুই/তিন বছরের চারাও লাগানো হয়ে থাকে। যেখানে পানি জমে সে রকম জায়গায় কাঁঠাল গাছ লাগানো ঠিক নয়।

কাঠাল গাছ চিরহরিত্ বৃক্ষ। ৬০ থেকে ৭০ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট। কাঠাল গাছ বহুবিধ ব্যবহার উপযোগী বৃক্ষ। কাঁচা কাঁঠাল তরকারি হিসেবে বহুল ব্যবহূত হয়। আর ফলের উচ্ছিষ্ট ও পাতা পশুখাদ্য হিসেবে ব্যবহূত। কাঠাঁল কাঠ টেকসই , ভালো পালিশ নেয় এবং আসবাবপত্র তৈরিতে এ কাঠের কোনো জুড়ি নেই। পুরানো গাছের শিকড় ছবির ফ্রেম তৈরি ও খোদাইয়ের কাজে ব্যবহূত হয়। কাঠের গুঁড়ো থেকে হলুদ রং পাওয়া যায় যা রেশম সুতার রং হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

মোহাম্মদ মহসীন