খুলনা অফিস
খুলনার শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের করোনা ইউনিটের যাত্রা শুরু হয়েছে। গতকাল শনিবার পাঁচ জন রোগী ভর্তির মাধ্যমে করোনা ইউনিটের যাত্রা শুরু করা হয়। এর আগে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য বেগম মন্নুজান সুফিয়ান জুমে সংযুক্ত হয়ে করোনা ইউনিটের উদ্বোধন করেন। জরুরি বিভাগ সংলগ্ন প্লাস্টিক অ্যান্ড বার্ন ইউনিটের ২০টি এবং ফিজিক্যাল মেডিসিনি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের ১৫টি ও চতুর্থ তলার আইসিইউ বিভাগের ১০টি বেডসহ মোট ৪৫টি বেড নিয়ে করোনা ইউনিটের যাত্রা শুরু হয়।
শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচলক ডা. এস এম মোর্শেদ এবং আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ও করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. প্রকাশ চন্দ্র দেবনাথ হাসপাতাল থেকে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জুমে যুক্ত ছিলেন।
উদ্বোধনের পর শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ও করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. প্রকাশ চন্দ্র দেবনাথ বলেন, খুলনায় যেহেতু করোনা রোগীর প্রাদুর্ভাব অনেক বেড়েছে সে কারণে অতিদ্রুত শহীদ শেখ আবু নাসের হাসপাতালে একটি করোনা ডেডিকেটেড ইউনিট করার জন্য বলা হয়েছিল মন্ত্রণালয় থেকে। সে মোতাবেক আমরা ৩০ জুন থেকে একটানা কাজ করে ইউনিটটি প্রস্তুত করি। শনিবার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান করোনা ইউনিটের উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনের পর রোগী ভর্তি শুরু করা হয়। এখানে শুধু করোনা পজিটিভ রোগী; যাদের ভর্তি প্রয়োজন তাদের ভর্তি করা হবে। ৩৫টি সাধারণ বেড ও ১০টি আইসিইউসহ মোট ৪৫টি বেড নিয়ে হাসপাতালটিতে করোনা ডেডিকেটেড ইউনিট চালু হয়েছে। করোনা রোগীদের জন্য প্রধানত যেটা লাগে তা হলো অক্সিজেন। অক্সিজেন সরবরাহ আছে। আর যেগুলো প্রয়োজন হয় হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা যা আমাদের এই মুহূর্তে একটিও নেই।
কতজন চিকিত্সক ও নার্স করোনা ইউনিটে দায়িত্ব পালন করবেন এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমাদের এখানে খুবই ডাক্তার সংকট। বিশেষ করে মেডিক্যাল অফিসার সংকট। ১০টি ইউনিট চালু রয়েছে হাসপাতালটিতে। যেখানে প্রত্যেকটি বিভাগে যে পরিমাণ মেডিক্যাল অফিসার দরকার তার অর্ধেকও নেই। এরপর করোনা ইউনিট শুরু হয়েছে। মোট ১১ জন মেডিক্যাল অফিসার ও ৩০ জন নার্স নিয়ে করোনা ইউনিটের যাত্রা শুরু হয়েছে।
