অর্থনীতি সমিতির ওয়েবিনার
ইত্তেফাক রিপোর্ট
সর্বব্যাপী বৈষম্য কমানোর জন্য নীতিনির্ধারকদের অবশ্যই জোরালোভাবে ভাবতে হবে। সমাজ থেকে সব ধরনের বৈষম্য নিরসনে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক সংস্কার করতে হবে। শনিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি আয়োজিত অধ্যাপক ড. আবুল বারকাতের ‘বড় পর্দায় সমাজ-অর্থনীতি-রাষ্ট্র : ভাইরাসের মহাবিপর্যয় থেকে শোভন বাংলাদেশের সন্ধানে’ শীর্ষক গ্রন্থের ওপর ওয়েবিনারে এ কথা বলেন বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাবেক সভাপতি, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বর্তমানে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলবিষয়ক সংসদীয় কমিটির নির্বাচিত পরিচালক মহীউদ্দীন খান আলমগীর। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি অধ্যাপক বারকাতের সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেন, কোভিড-১৯-এর ধাক্কা এবং বিশ্ব মহামন্দা দূর করার জন্য সরকার যে প্রণোদনা দিয়েছে, তা দরিদ্রদের জন্য পুরোপুরি কাজে আসছে না। তবে সবার মনে রাখা দরকার যে এই প্রণোদনায় যদি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে কিছুটা বাঁচানো যায়, তাহলে তা জনস্বার্থে প্রযোজ্য হয়েছে বলে ধরে নেওয়া যেতে পারে। ঢাকার ইস্কাটনে সমিতির কার্যালয় থেকে এই ওয়েবিনারটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সহসভাপতি এ জেড এম সালেহ্। সেমিনারে অংশ নেন অর্থনীতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. জামালউদ্দিন আহমেদ, সহসম্পাদক শেখ আলী আহমেদ টুটুল। উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের প্রাক্তন চেয়ারম্যান ও জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ও প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অর্থনীতিবিদ আবুল বারকাতের চার দশকের গবেষণার ফসল ‘বড় পর্দায় সমাজ-অর্থনীতি-রাষ্ট্র : ভাইরাসের মহাবিপর্যয় থেকে শোভন বাংলাদেশের সন্ধানে’ বইটি নিয়ে ধারাবাহিক আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে।
