শেকৃবিতে স্বল্প খরচে বায়োগ্যাস উত্পাদনে ড্রাই ডাইজেশন প্রযুক্তি

আপডেট : ০৫ জুলাই ২০২১, ০০:৩০

স্বল্প খরচ ও সহজ উপায়ে বায়োগ্যাস ও জৈব সার উত্পাদনে ইউরোপীয় ‘ড্রাই ডাইজেশন’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে গবেষণা করছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) গবেষকরা।

টেকসই নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অর্থায়নে শেকৃবির অ্যানিম্যাল প্রোডাকশন ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগ ও বাংলাদেশ বায়োগ্যাস ফাউন্ডেশন যৌথভাবে পাইলট প্রকল্প হিসেবে গবেষণাটি চালাচ্ছে।

গবেষকরা জানান, ‘ড্রাই ডাইজেশন প্রযুক্তটি ইউরোপের বিভিন্ন দেশে একটি প্রচলিত পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে অতিরিক্ত পানি ব্যবহার না করেই বায়োগ্যাস উত্পাদন করা যায়। ড্রাই ডাইজেশন প্রক্রিয়ায় বায়োগ্যাস বেশি উত্পন্ন হয় এবং গ্যাস উত্পাদনের পর বাকি ডাইজেস্টেড অতি সহজেই এনারোবিক প্রক্রিয়ায় আদর্শ জৈব সার উত্পাদন করা যায়।’

এ পদ্ধতি নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছেন শেকৃবির অ্যানিম্যাল প্রোডাকশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী অধ্যাপক এনায়েত কবির, বিবিডিএফের মোকাররম বিল্লাহ চৌধুরী, নাজমুল হক, রওশন চৌধুরী ও শাহেদ ইসরায়েল খান। গবেষণায় সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন অ্যানিম্যাল প্রোডাকশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগে অধ্যয়নরত মাস্টার্সের ছাত্রী আফসানা আক্তার।

এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমরা এটি পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করেছি। এ পদ্ধতিতে গৃহস্থালি বর্জ্য ও কৃষি বর্জ্য থেকে অবায়বীয় প্রক্রিয়ায় বায়োগ্যাস ও জৈব সার উত্পাদন করা হয়। মাটির ওপরে অথবা ভবনের ছাদে চেম্বার স্থাপন বায়োগ্যাস ও শুষ্ক জৈব সার উত্পাদন করা যায়।’

এ পদ্ধতিতে বায়োগ্যাস উত্পাদন প্রযুক্তির বিষয়ে শেকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শহীদুর রশীদ ভুঁঁইয়া বলেন, ‘নতুন এই পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে পানির অপচয় রোধ হবে। একই সঙ্গে খরচ ও পরিবেশের দূষণ কমিয়ে আনা সম্ভব।’