নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিদেশি সেনাদের চলে যেতে তালেবানদের হুমকি

আপডেট : ০৫ জুলাই ২০২১, ১১:০৮

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মার্কিনসহ সকল বিদেশি সেনাকে অবশ্যই আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যেতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তালেবান। সময় শেষ হয়ে যাওয়ার পরও যদি কোনো সেনা দেশটিতে অবস্থান করেন, তাহলে দখলদার হিসেবে তাদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হবে। বিবিসির সঙ্গে সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন সশস্ত্র গোষ্ঠীটির মুখপাত্র সোহাইল শাহীন।

আফগানিস্তানে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে সামরিক মিশন পরিচালনা করে আসছে সামরিক জোট ন্যাটো ও মার্কিন বাহিনী। যা ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। গত এপ্রিলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ঘোষণা দেন যে, আগামী ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সকল সেনা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। যা গত ১ মে থেকে এ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কিন্তু এখন শোনা যাচ্ছে কূটনৈতিক মিশন রক্ষা এবং কাবুল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রায় এক হাজার সৈন্য থেকে যেতে পারে।

No description available.

অন্যদিকে, বিদেশি সেনাদের চলে যাওয়ার মধ্যেই আফগানিস্তানে সহিংসতা ক্রমশ বাড়ছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন জেলা নিজেদের দখলে নিয়েছে তালেবান। এমতাবস্থায় দেশটিতে আবারও তালেবান শাসন চালু হতে পারে বলে শঙ্কা জেগেছে।

তবে এ দাবি অস্বীকার করেছেন তালেবান মুখপাত্র। তিনি বলেন, সামরিক শক্তি দিয়ে কাবুল দখল করা তাদের নীতি নয়। তালেবান চায়, প্রত্যাহার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর কাবুলে যেন আর কোনো বিদেশি সেনা ও সামরিক ঠিকাদার না থাকে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত দোহা চুক্তির বাহিরে গিয়ে কোনো বিদেশি সেনাকে যদি আফগানিস্তানে রেখে দেওয়া হয়, তাহলে তালেবান কীভাবে পদক্ষেপ নেবে তা নেতৃবৃন্দ ঠিক করবেন, যোগ করেন এই নেতা।

সোহাইল শাহীন বলেন, কূটনীতিক, এনজিওকর্মী এবং অন্যান্য বিদেশি সাধারণ নাগরিকরা কখনোই তালেবানের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে না। তাই অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন নেই।

No description available.

তালেবানরা বিদেশি সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে জানিয়ে তিনি বলেন, কিন্তু কূটনীতিক, এনজিও ও তাদের স্টাফ এবং এমনকি এনজিওর কর্মকাণ্ড পরিচালনা ও দূতাবাস পরিচালনার বিষয়েও আমরা বিরোধী নই। কারণ, দেশের মানুষের জন্যই তারা দরকার।

ইত্তেফাক/টিএ