পঞ্চম শ্রেণির বাড়ির কাজ: বাংলাদেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়

আপডেট : ০৫ জুলাই ২০২১, ২০:০৯

মুক্তিবাহিনী কখন গঠন করা হয়? মুক্তিবাহিনী কেন গঠন করা হয়? মুক্তিবাহিনীর চারটি কাজ লেখ।         

 

উত্তর:১৯৭১ সালের ১১ই জুলাই মুক্তিবাহিনী নামে একটি বাহিনী গঠন করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধ করার জন্য মুক্তিবাহিনী গঠন করা হয়।

মুক্তিবাহিনীর চারটি কাজ—

i. ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা।

ii. সরাসরি সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করা।

iii. গেরিলা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করা।

iv. পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করে দেশকে শত্রুমুক্ত করা।

 

মুক্তিফৌজ কী? মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের ১১ই জুলাই একটি বাহিনী গঠিত হয়। এ বাহিনীটির নাম কী? এ বাহিনীর প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন? বাহিনীটির তিনটি ব্রিগেড ফোর্সের নাম লেখ।

উত্তর:মুক্তিফৌজ হলো মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী পেশাদার সশস্ত্র বাহিনী।

১৯৭১ সালের ১১ই জুলাই গঠিত বাহিনীটির নাম মুক্তিবাহিনী। মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন জেনারেল মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানী।

মুক্তিবাহিনীর তিনটি ব্রিগেড ফোর্সের নাম হলো—

i. মেজর খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ‘কে’ ফোর্স।

ii. মেজর কে এম শফিউল্লাহ্র নেতৃত্বে ‘এস’ ফোর্স।

iii. মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ‘জেড’ ফোর্স।

মুক্তিযুদ্ধ কী? এই যুদ্ধে সমগ্র বাঙালি জাতি জড়িয়ে পড়ে কেন? মুক্তিযুুদ্ধে নারীদের চারটি ভূমিকা লেখ।               

উত্তর:মুক্তির জন্য যে যুদ্ধ তাই মুক্তিযুদ্ধ।

স্বাধীনতা অর্জনের জন্য পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সমগ্র বাঙালি জাতি মুক্তিযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।

মুক্তিযুদ্ধে নারীদের চারটি ভূমিকা—

i. মুক্তিযুদ্ধের সময় নারীরা সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণের পাশাপাশি বিভিন্নভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করেছেন।

ii. নারীরা মুক্তিযোদ্ধাদের খাবার দিয়ে সাহায্য করেন।

iii. নারীরা মুক্তিযোদ্ধাদের তথ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সাহায্য দিয়ে লড়াই চালিয়ে যেতে উদ্বুদ্ধ করেন।

iv. নারীরা আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা-শুশ্রূষা দিয়ে সুস্থ করে তোলেন।

কোন ধ্বনি শুনলে পাক হানাদারদের বুক ভয়ে কেঁপে উঠত? মুক্তিযুদ্ধে সাধারণ মানুষ কীভাবে অংশ নিয়েছিলেন পাঁচটি বাক্যে লেখ।      

উত্তর:‘জয় বাংলা’ ধ্বনি শুনলে পাক হানাদারদের বুক ভয়ে কেঁপে উঠত।

মুক্তিযুদ্ধে সাধারণ মানুষ যেভাবে অংশ নিয়েছিলেন—

i. পুরুষেরা সরাসরি সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন।

ii. অনেকেই গোপনে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করেছেন।

iii. এদেশের মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

iv. খাদ্য, আশ্রয় এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস দিয়ে তারা মুক্তি যোদ্ধাদের যুদ্ধ করতে প্রেরণা যুগিয়েছেন।

v. এদেশের সকল শ্রেণি পেশার সদস্যরা যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন।