শুদ্ধ উচ্চারণ চর্চা (পর্ব ২)
গত পর্বের পর ...
‘অ’-এর উচ্চারণের নিয়ম
‘অ’-এর উচ্চারণের তিনটি ভাগ রয়েছে ।
১. আদ্য-অ (শব্দের শুরুতে)
২. মধ্য-অ (শব্দের মাঝে)
৩. অন্ত্য-অ (শব্দের শেষে)
আদ্য-অ
সূত্র ১ : শব্দের প্রথমে যদি অ থাকে (স্বাধীন কিংবা ব্যঞ্জনে যুক্ত) তারপরে ই বা ই-কার থাকে, তাহলে আগের অ সাধারণত ও-কারান্ত উচ্চারিত হয়। যেমন:রবিবার মতিগতি ঠিক থাকলে দই মাখানো খই খেয়ে একটি কবিতার বই নিয়ে যদি সইয়ের সহিত দেখা করো, তবে বই রেখে মই ফেলে তার পতি তোমার ছবি তুলবে ।
শব্দগুলোর উচ্চারণগুলো লক্ষ করি :
বানান উচ্চারণ
রবিবার রোবিবার্
মতিগতি মোতিগোতি
দই দোই্
খই খোই্
কবিতা কোবিতা
বই বোই্
যদি জোদি
সহিত শোহিত্ [‘সঙ্গে’ অর্থে]
মই মোই্
পতি পোতি
ছবি ছোবি
সূত্র ২ :শব্দের প্রথমে যদি অ থাকে (স্বাধীন কিংবা ব্যঞ্জনে যুক্ত) তারপরে ঈ বা ঈ-কার থাকে, তাহলে আগের অ সাধারণত ও-কারান্ত উচ্চারিত হয়। যেমন :রুগ্ণ শরীরে সতীসাধ্বী ভগ্নী আমার, নদীর মতো গভীরভাবে অতীতকে ধারণ করে মনীষা অর্জন করছে ।
শব্দগুলোর উচ্চারণগুলো লক্ষ করি :
বানান উচ্চারণ
শরীর শোরির্
সতীসাধ্বী শোতিশাদ্ধি
ভগ্নী ভোগ্নি
নদী নোদি
গভীর গোভির্
অতীত ওতিত্
মনীষা মোনিশা
চলবে ...
সূত্র:
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
অধ্যাপক নরেন বিশ্বাসের প্রমিত উচ্চারণ শিক্ষা
বন্ধুরা, আরও জানতে চোখ রাখো ‘দৈনিক ইত্তেফাক’ পত্রিকার অনুশীলন পাতায়।
