দ্বাদশ শ্রেণির বাংলা দ্বিতীয়পত্র:প্রমিত উচ্চারণের নিয়ম

আপডেট : ০৫ জুলাই ২০২১, ২০:০৯

শুদ্ধ উচ্চারণ চর্চা (পর্ব ২)

 

গত পর্বের পর ...

 

‘অ’-এর উচ্চারণের নিয়ম

‘অ’-এর উচ্চারণের তিনটি ভাগ রয়েছে ।

১. আদ্য-অ (শব্দের শুরুতে)

২. মধ্য-অ (শব্দের মাঝে)

৩. অন্ত্য-অ (শব্দের শেষে)

আদ্য-অ

সূত্র ১ : শব্দের প্রথমে যদি অ থাকে (স্বাধীন কিংবা ব্যঞ্জনে যুক্ত) তারপরে ই বা ই-কার থাকে, তাহলে আগের অ সাধারণত ও-কারান্ত উচ্চারিত হয়। যেমন:রবিবার মতিগতি ঠিক থাকলে দই মাখানো খই খেয়ে একটি কবিতার বই নিয়ে যদি সইয়ের সহিত দেখা করো, তবে বই রেখে মই ফেলে তার পতি তোমার ছবি তুলবে ।

শব্দগুলোর উচ্চারণগুলো লক্ষ করি :

বানান                                  উচ্চারণ

রবিবার                                      রোবিবার্

মতিগতি                                     মোতিগোতি

দই                               দোই্

খই                            খোই্

কবিতা                                       কোবিতা

বই                              বোই্

যদি                                           জোদি

সহিত                                         শোহিত্ [‘সঙ্গে’ অর্থে]

মই                              মোই্     

পতি                                          পোতি

ছবি                                           ছোবি

সূত্র ২ :শব্দের প্রথমে যদি অ থাকে (স্বাধীন কিংবা ব্যঞ্জনে যুক্ত) তারপরে ঈ বা ঈ-কার থাকে, তাহলে আগের অ সাধারণত ও-কারান্ত উচ্চারিত হয়। যেমন :রুগ্ণ শরীরে সতীসাধ্বী ভগ্নী আমার, নদীর মতো গভীরভাবে অতীতকে ধারণ করে মনীষা অর্জন করছে ।

শব্দগুলোর উচ্চারণগুলো লক্ষ করি :

বানান                                                   উচ্চারণ

শরীর                                         শোরির্

সতীসাধ্বী                   শোতিশাদ্ধি

ভগ্নী                            ভোগ্নি

নদী                            নোদি

গভীর                                         গোভির্

অতীত                         ওতিত্

মনীষা                            মোনিশা

চলবে ...

সূত্র:

বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

অধ্যাপক নরেন বিশ্বাসের প্রমিত উচ্চারণ শিক্ষা

বন্ধুরা, আরও জানতে চোখ রাখো  ‘দৈনিক ইত্তেফাক’ পত্রিকার অনুশীলন পাতায়।