নদীভাঙন রোধে স্থায়ী পদক্ষেপ নিন

আপডেট : ০৫ জুলাই ২০২১, ২১:৩৭

বাংলাদেশকে বলা হয় নদীমাতৃক দেশ। নদীকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে এদেশের সভ্যতা। প্রতি বছর মে-জুলাই মাসে এদেশে বর্ষাকাল স্থায়ী হয়। শুষ্ক মৌসুমে পানির অভাব থাকলেও বর্ষাকালে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে নদীর পানি বেড়ে যায়। একই সঙ্গে ভারত থেকে আসা উজানের পানির ভারী ঢলে নদীগুলো প্লাবিত হয়ে সৃষ্টি হয় দুর্বিষহ বন্যা। উত্তরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ সময়ে ভয়াবহ মাত্রায় নদীভাঙনের সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশে প্রতি বছরই হাজার হাজার মানুষ নদীভাঙনের শিকার হচ্ছে। নদীগর্ভে বাসস্থান, ও ফসলি জমি হারিয়ে বাস্তুহারা হয়ে প্রতি বছরই নিঃস্ব হয়ে পড়ছে আমাদের দেশের নদীতীরবর্তী অগণিত মানুষ। পদ্মা, তিস্তা, যমুনাসহ দেশের আরো বেশ কয়েকটি নদীর ভাঙনের ফলে প্রতি বছরই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে শত শত একর আবাদি জমি। সরকার নদীভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় নীতিমালা গ্রহণ করলেও এর বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা কিংবা প্রশাসনের সদিচ্ছার অভাবে বছরের পর বছর নদীভাঙনের শিকার হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে বাস্তুহীন এরকম অগণিত মানুষ। তাই কর্তৃপক্ষের উচিত নদীভাঙন রোধে দ্রুত ও কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা এবং টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা। একমাত্র সরকারি উদ্যোগে নেওয়া দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ এবং তার যথাযথ বাস্তবায়নই নদীতীরবর্তী এসব মানুষকে সর্বস্বান্ত হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে।

মারজান হোসেন

চট্টগ্রাম