জিম্বাবুয়ে সফরের জন্য ঘোষিত বাংলাদেশের ওয়ানডে দলের কয়েক জন ক্রিকেটার এখনো দেশে রয়েছেন। গতকাল মিরপুর স্টেডিয়ামে অনুশীলন শুরু করেছেন তারা। সকালে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মোহাম্মদ মিঠুন, সৌম্য সরকার, আফিফ হোসেন, রুবেল হোসেন ও শামীম পাটোয়ারী অনুশীলন করেছেন। তবে করোনা আতঙ্কে অনুশীলন করেননি সাইফউদ্দিন ও নাঈম শেখ।
বিসিবি একাডেমির ক্যাটারিং সার্ভিসের এক স্টাফের করোনা ধরা পড়েছে। তাই সতর্কতার অংশ হিসেবে অনুশীলন করেননি দুই ক্রিকেটার। যদিও তাদের করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট এসেছিল। গতকাল আবারও নমুনা নেওয়া হয়েছে সাইফ-নাঈমের। দুই জনই আছেন বিসিবি একাডেমি ভবনে। ব্যক্তিগত কারণে অনুশীলনে যোগ দেননি মুস্তাফিজুর রহমান।
বিসিবির প্রধান চিকিত্সক দেবাশীষ চৌধুরী বলেছেন, ক্রিকেটারদের কোনো সমস্যা নেই। ক্যাটারিং স্টাফের করোনা পজিটিভ এসেছে। ক্রিকেটাররা সবাই নেগেটিভ। আগামী ৯ জুলাই জিম্বাবুয়ের উদ্দেশ্যে উড়াল দেবে দেশে থেকে যাওয়া ওয়ানডে দলের ক্রিকেটাররা। জিম্বাবুয়ে সফরে আট বছর আগের স্মৃতি বেশ তিক্তকর বাংলাদেশের জন্য। ২০১৩ সালে মুশফিকুর রহিমের নেতৃত্বে স্বাগতিকদের বিপক্ষে টেস্ট, টি-২০ সিরিজ ড্র এবং ওয়ানডে সিরিজে হেরে গিয়েছিল বাংলাদেশ দল। এবার পূর্ণশক্তির দল নিয়েই জিম্বাবুয়ে সফরে গেছে টাইগাররা। তিন ফরম্যাটেই জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে খেলবে বাংলাদেশ। আগামীকালই শুরু হবে সিরিজের একমাত্র টেস্ট।
চলমান জিম্বাবুয়ে সফরে সব ফরম্যাটের ট্রফিই জিততে চান রুবেল হোসেন। ভারসাম্যপূর্ণ দল আছে বলেই সিরিজ জেতায় আশাবাদী অভিজ্ঞ এ পেসার। গতকাল তিনি বলেছেন, ‘শেষবার আমরা যখন জিম্বাবুয়ে গেছি আমরা ট্রফিটা আনতে পারিনি। যদিও ইনশাআল্লাহ এবার আমাদের টিমটা ভালো। ব্যালেন্স টিম। ভালো ভালো ক্রিকেটার আমাদের টিমে আছে। আমরা যদি ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি তাহলে ট্রফিটা এবার ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ নিয়ে আসবে।’ ওয়ানডে, টি-২০ সিরিজে বাংলাদেশের ভালো সম্ভাবনা দেখছেন রুবেল। টেস্টেও ইতিবাচক ফলাফল আশা করছেন তিনি। জিম্বাবুয়ের কন্ডিশনে ভালো কিছু পেতে পেসারদের দায়িত্ব দেখছেন রুবেল। গতকাল অভিজ্ঞ এ পেসার বলেছেন, ‘পেস বোলারদের অনেক বড় ভূমিকা রাখতে হবে জিম্বাবুয়ে সিরিজে। পেসাররা যদি টিমের প্ল্যান অনুযায়ী দায়িত্ব নিয়ে বোলিং করতে পারি, তাহলে ইনশাআল্লাহ আমার মনে হয় পেসাররা অনেক সফল হবে।’
