খুলনা মেডিক্যাল কলেজের (খুমেক) আরটি পিসিআর ল্যাবে জীবাণুদূষণ ঘটায় গত পাঁচ দিন ধরে তা বন্ধ রয়েছে। ফলে করোনা শনাক্তে নমুনা পরীক্ষা করানো যাচ্ছে না। কথা ছিল খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে পরীক্ষা করা হবে নমুনা। কিন্তু বায়োসেফটিক ল্যাবের আলট্রা ভায়োলেট লাইট নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সেখানেও গত শনিবার থেকে নমুনা পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। ফলে করোনার উপসর্গ নিয়ে নমুনা পরীক্ষা করাতে এসে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে রোগীদের। তবে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, অ্যান্টিজেন পরীক্ষার মাধ্যমে তারা নমুনা পরীক্ষা অব্যাহত রেখেছে। পিসিআর ল্যাব বন্ধ থাকায় নমুনা পরীক্ষা হচ্ছে না, ফলে করোনা রোগীর শনাক্তের হারও কমেছে বলছেন চিকিত্সকেরা।
খুলনা জেনারেল হাসপাতালের ৮০ শয্যাবিশিষ্ট করোনা ইউনিটের মুখোপাত্র ডা. কাজী আবু রাশেদ বলেন, ‘আমাদের হাসপাতালে র্যাপিড অ্যান্টিজেনের মাধ্যমে নমুনা পরীক্ষা হয়। ফলে আমাদের কোনো সমস্যা নেই।’
খুলনা ১৩০ শয্যাবিশিষ্ট ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার বলেন, দূষিত হওয়ার কারণে ল্যাব বন্ধ থাকলেও করোনার নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকা থেকে পরীক্ষা করিয়ে আনা হচ্ছে।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, বায়োসেফটিক ল্যাবের আলট্রা ভায়োলেটের লাইট গত রবিবার থেকে ঠিক হয়ে গেছে। তবে সরকারিভাবে আমাদের করোনার নমুনা পরীক্ষার অনুমতি নেই বলে আমরা নিজেরা নমুনা পরীক্ষা করি না। সরকারি অনুমতির জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। অনুমতি পেলেই আমরা করোনার নমুনা পরীক্ষা করব।
উল্লেখ্য, খুলনা আরটি পিসিআর ল্যাবে প্রতিদিন যেখানে গড়ে প্রায় ৫০০ নমুনা পরীক্ষা করা হতো, ল্যাবটি অচল থাকায় সেই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন করোনা উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীরা।
