চট্টগ্রামের হাসপাতালে অক্সিজেনের চাহিদা বেড়েছে কয়েক গুণ

আপডেট : ০৫ জুলাই ২০২১, ২২:৫৮

নগরীর বাইরে উত্তরের কয়েকটি উপজেলায় করোনা রোগী বেড়েছে। এসব এলাকার আক্রান্ত রোগীরা নগরীর সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভিড় করছে। উপজেলার অধিকাংশ হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন ব্যবস্থা নেই। চিকিত্সা কেন্দ্রগুলোতে করোনা রোগীর চাপ বাড়ার কারণে অক্সিজেনের দৈনিক চাহিদাও কয়েক গুণ বেড়েছে। চট্টগ্রামে গতকাল নতুন করে ৫৫৯ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়। তার মধ্যে ৪১৪ জন নগরীর ও ১৪৫ জন বিভিন্ন উপজেলার। করোনা রোগীর চিকিত্সার জন্য সরকারিভাবে আরেকটি চিকিত্সাকেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। খুলশী এলাকায় আইসিইউসহ ৬০ শয্যার হলি ক্রিসেন্ট হাসপাতাল সংস্কার করে করোনা রোগীর চিকিত্সা উপযোগী করা হয়েছে। এর বাইরে চট্টগ্রামে আরো সরকারিভাবে তিনটি করোনা রোগীর চিকিত্সা কেন্দ্র রয়েছে। চট্টগ্রামে সরকারি হাসপাতালে করোনা চিকিত্সার এখনো ৪০ শতাংশ বেড খালি রয়েছে।

বেসরকারি ন্যাশনাল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মো. ইউসুফ বলেন, আগে যেখানে দৈনিক ১৫-২০ বোতল অক্সিজেন সিলিন্ডারের প্রয়োজন হতো। এখন সেখানে ৭০-৮০ বোতলের প্রয়োজন হচ্ছে। অক্সিজেনের দাম না বাড়ালেও সরবরাহে মাঝে মধ্যে সংকট দেখা দিচ্ছে। পার্কভিউ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, আমাদের সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিস্টেম আছে। কিন্তু করোনা রোগীর চিকিত্সার কারণে দৈনিক ১০০ বোতল অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রয়োজন হচ্ছে।

সিভিল সার্জন কার্যালয় জানায়, চট্টগ্রামে উত্তরের উপজেলা মিরসরাই, ফটিকছড়ি, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া ও সীতাকুণ্ড এলাকায় করোনা রোগী বাড়েছে। এসব এলাকায় মোট নমুনা পরীক্ষার প্রায় ৫০ শতাংশ পজেটিভ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে সরকারিভাবে উপজেলাগুলোতে করোনা চিকিত্সার প্রস্তুতি বাড়ানো হয়েছে। সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি ইত্তেফাককে বলেন, নগরী ও উপজেলায় সরকারি চিকিত্সা কেন্দ্রগুলোতে করোনা চিকিত্সার পর্যাপ্ত প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। অক্সিজেনের যাতে কোনো সংকট না হয় তার প্রতি জোর দেওয়া হয়েছে।