ফোরলেনের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশের বিভিন্নস্থানে খানাখন্দ মেরামতে পাথরের পরিবর্তে ইটের ব্যবহার হচ্ছে। এতে স্বল্পসময়ের মধ্যেই আবারো সংস্কারকৃত স্থানের ইটগুলো ভেঙ্গে পড়ায় খানা-খন্দক থেকে মুক্তি মিলছেনা যানবাহন চালকদের। ফলে দুর্ভোগও কোনভাবেই কমছে না। কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার ঝাগুরঝুলি, আলেখারচর, আমতলী, নিশ্চিন্তপুর, বুড়িচংয়ের কালাকচুয়া, কাবিলা, চান্দিনার বরকামতাসহ বেশ কিছুস্থানে অসংখ্য ছোট-বড় খানা-খন্দকের সৃষ্টি হয়েছে। এতে সড়ক বিভাগের সংশ্লিষ্ট লোকজন প্রতিনিয়তই এসব খানাখন্দকে পাথরের পরিবর্তে ইট দিয়ে সেগুলো সংস্কার বা মেরামত করছেন। মহাসড়কে চলাচলকারী ভারবাহী যানবাহনের চাপে সেগুলো অল্প সময়ের মধ্যেই আবারো ভেঙ্গে পুনরায় খানা-খন্দকের সৃষ্টি হচ্ছে যা কাম্য নয়। বৃষ্টির পানিতে ভরে থাকা এসব গর্ত দেখা না যাওয়ায় প্রায়ই দ্রুতগতিতে গাড়ি চালানোর সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। পাথরের তৈরি মহাসড়কের এই পথে প্রতিদিনই ৬০/৭০ টনের অতিরিক্ত ওজনের গাড়ির চাপে যেখানে রাস্তা ভেঙ্গে যাচ্ছে, সেখানে ইটের সংস্কার প্রক্রিয়া কতটুকু কার্যকর সেটা প্রশ্নবিদ্ধ। এ রকম কাজে প্রতিনিয়তই ইটের ব্যবহার বাড়ায় একদিকে সরকারের অর্থ অপচয় হচ্ছে, অন্যদিকে দুর্ভোগ থেকে কোনোভাবেই মুক্তি মিলছেনা চালকদের। এ অবস্থায় মহাসড়কের ক্ষয়ে যাওয়া অংশ, খানা-খন্দক সংস্কার ও মেরামতে পাথর ব্যবহারসহ টেকসই সংস্কারের দাবী যানবাহন চালকদের।
মামশাদ কবীর
কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০
