কোরবানির ঈদ সামনে রেখে ভৈরবে দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন খামারিরা। কিন্তু করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ও ঈদের আগে কঠোর লকডাউন শুরু হওয়ায় কোরবানির পশু বিক্রি নিয়ে দুশ্চিতায় পড়েছেন তারা। গোছামারা গ্রামের প্রান্তিক খামারি মুছা মিয়া জানান, এবার তিনি দেশীয় জাতের দুটি ষাঁড় গরু লালনপালন করছেন। এগুলো বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রফিকুল ইসলাম খান জানান, ভৈরবে প্রায় ৩ হাজার খামারে ১০ হাজার কোরবানির পশু লালনপালন করা হচ্ছে। পশুর হাট বসানো না গেলে খামারিদের অনলাইনে বিক্রির ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে।
