চট্টগ্রামে ১৭ শর্তে ১০ দিনের জন্য চসিকের অস্থায়ী তিনটি পশুর হাট

আপডেট : ০৬ জুলাই ২০২১, ২২:১২

চট্টগ্রাম নগরীর সাগরিকা, বিবিরহাট ও পোস্তারপাড়ের স্থায়ী পশুর হাটের পাশাপাশি এবার মাত্র তিনটি অস্থায়ী হাট বসানোর অনুমতি পেয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। ১৭টি শর্তে ১০ দিনের জন্য এসব অস্থায়ী হাট বসানো হবে কর্ণফুলী পশুর হাট (নূরনগর হাউজিং), সল্টগোলা রেলক্রসিং ও পতেঙ্গা বাটারফ্লাই পার্কের দক্ষিণে খালি মাঠে।

জেলা প্রশাসনের দেওয়া শর্তগুলো হলো—অস্থায়ী পশুর হাট প্রধান সড়ক থেকে কমপক্ষে ১০০ গজ দূরে বসাতে হবে যাতে কোনো অবস্থাতেই প্রধান সড়কের যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি না হয়। ইজারালব্ধ অর্থের ২০ শতাংশ ভূমি রাজস্ব দিতে হবে, হাটের বাইরে সড়কে কোনো পশু রাখা বা খুঁটি স্থাপন করা যাবে না। করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে হাটে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে, ঢুকা ও বের হওয়ার পথে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সাবান-পানির ব্যবস্থা রাখতে হবে। ঢুকা ও বের হওয়ার সময় লাইনে দাঁড়িয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। ক্রেতা-বিক্রেতা সবাইকে মাস্ক পরতে হবে। চাঁদা আদায় বা ক্রেতা-বিক্রেতাকে হয়রানি করা যাবে না। জাল নোট শনাক্তের যন্ত্র বসাতে হবে। জেলা প্রশাসন হাট পরিদর্শনের সময় চসিক ও ইজারাদার সব ধরনের সহযোগিতা নিশ্চিত করবে। পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ঢুকা ও বের হওয়ার আলাদা পথ থাকতে হবে। জটলা সৃষ্টি যাতে না হয় সেদিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে। বৃদ্ধ ও শিশুদের হাটে আসাকে নিরুত্সাহিত করতে হবে, অনলাইনে পশু কেনাবেচাকে উত্সাহ দিতে হবে। ইজারাদারকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ স্বেচ্ছাসেবক রাখতে হবে। ভেটেরিনারি চিকিত্সক বা সার্জনের অবস্থান নিশ্চিত করতে হবে। সিসিটিভি ক্যামেরা বসাতে হবে। আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক সমস্যা দেখা দিলে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সমাধান করতে হবে। সড়কে পশু পরিবহনের সময় ইজারাদার বা প্রতিনিধি গাড়ির পথ পরিবর্তন বা নিজের হাটে পশু নিতে বাধ্য করতে পারবে না। শর্ত লঙ্ঘন হলে যে কোনো সময় অনুমতি বাতিল হবে।