কোরবানির পশুর বর্জ্য আট থেকে ১০ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ করা হবে। এ লক্ষ্যে নগরীকে উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম চারটি জোনে ভাগ করা হয়েছে। রবিবার চসিকের টাইগারপাসস্থ অস্থায়ী অফিসের কনফারেন্স রুমে আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী এ কথা বলেন।
মেয়র বলেন, পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তাদের নগরীকে টাইম লাইনের মধ্যে পরিচ্ছন্ন করতে যত ধরনের সহায়তা লাগে তা করা হবে। আবর্জনা পরিষ্কারের কোনো গাফিলতি বা অজুহাত মানা হবে না। সভায় উপপ্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোর্শেদুল আলম চৌধুরী বলেন, কোরবানির বর্জ্য অপসারণে কোনো সমস্যা হবে না। কারণ, করোনার সীমিত বিধিনিষেধের কারণে সড়কে যান চলাচল কম। তবে আবর্জনা পরিষ্কারে আমাদের ১৮৮টি গাড়ি ও ৪০টি ওয়াকিটকি লাগবে। কেন্দ্রীয়ভাবে আবর্জনা পরিষ্কারে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ওয়াকিটকির কোনো বিকল্প নেই। ওয়ার্ড পর্যায়ে কন্টেইনার মোভার ও পর্যাপ্ত টমটম গাড়ি প্রয়োজন।
সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদুল আলমের সভাপতিত্বে ও সচিব খালেদ মাহমুদের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন প্যানেল মেয়র মো. গিয়াস উদ্দিন, বর্জ্য স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর মো. মোবারক আলী, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী, স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট জাহানারা ফেরদৌস, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম প্রমুখ।
