ফ্লোরিডার মিয়ামি শহরের বিলাসবহুল ভবনটি ধসে পড়ার পর ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান ফ্রান্সিসকো শহরে অবস্থিত মিলেনিয়াম টাওয়ার নিয়েও শংকা বেড়েছে বাসিন্দাদের মধ্যে। ইতিমধ্যে ভবনটির কিছু অংশ দেবে গেছে বলে প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন।
মিলেনিয়াম টাওয়ার বিশ্বের ১০ টি বিলাসবহুল ভবনের মধ্যে অন্যতম। সান ফ্রান্সিসকোর সবচেয়ে সুউচ্চ আবাসিক ভবন এটি। ভবনটিকে ‘শহরের মধ্যে আরেক শহর’ বলা হয়। এর স্থপতি গ্যারি হ্যান্ডেল। ৫৮ তলা বিশিষ্ট এ বহুতল ভবনটি উন্মুক্ত হয় ২০০৯ সালে। কিন্তু মাত্র ৯ বছরের ব্যবধানে ভবনটি হেলে পড়ে ও দেবে যায়। ২০১৮ সালেই জানা যায়, টাওয়ারটির ১৭ ইঞ্চি দেবে গেছে। আর হেলে পড়েছে ১৪ ইঞ্চি। গতকাল সিএনএন এক প্রতিবেদনে জানায়, ভবনটির ১৮ ইঞ্চি দেবে গেছে। ভবনটির বর্তমান প্রকৌশলী রোনাল্ড হামবার্গার এই তথ্য জানিয়েছেন। সান ফ্রান্সিসকো থেকে তিন হাজার মাইল দূরে ফ্লোরিডার মিয়ামি শহরের সমুদ্রের তীরবর্তী চ্যাম্পলেইন টাওয়ার ধসের পর মিলেনিয়াম টাওয়ার নিয়ে শংকা বাড়ছে। টাওয়ারের বাসিন্দা অ্যাটর্নি নেইল ম্যাককার্থি বলেন, যখন একটি সুউচ্চ ভবন ধসে পড়ে তখন আরেকটি সুউচ্চ ভবনের বাসিন্দাদের মনের শান্তি নষ্ট হয়ে যায়। মিলেনিয়াম টাওয়ারের বাসিন্দাদের মধ্যেও আতংকা দেখা দিয়েছে। তবে ২০১৪ সাল থেকে টাওয়ারটির দেখভাল করা প্রকৌশলী হামবার্গার বলছেন, ভবনটি ভূমিকম্প প্রতিরোধী এবং এটা নিরাপদ। ধসে পড়ার কোনও শংকা নেই। মিয়ামির ভবনটি ধসে পড়েছে মানে এই ভবনটিও ধসে পড়বে এমন আতংকের অর্থ হয় না।
