যুক্তরাষ্ট্রে ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের মিয়ামি শহরের সার্ফসাইড এলাকায় ধসে পড়া বহুতল ভবনের ধ্বংসাবশেষ থেকে আরও চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে ঘটনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৬। দুর্ঘটনার ১২ দিন পর এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ১০৯ জন। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে এনবিসি নিউজ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবারও (৬ জুলাই) ভবনের ধ্বংসাবশেষ থেকে উদ্ধারকাজ অব্যাহত রাখেন উদ্ধারকর্মীরা। মিয়ামি উপকূলের দিকে ধেয়ে আসা মৌসুমি ঝড় ‘এলসা’র আঘাতে উদ্ধারকাজ ব্যাহত করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জানা যায়, এলসা আজ বুধবার সকালে হ্যারিকেনে রূপ নিয়ে উত্তর ফ্লোরিডা উপসাগরীয় উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল হ্যারিকেন সেন্টার। ঘূর্ণিঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার।
ঝড় এলসা নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়ে মিয়ামি-ডাড শহরের মেয়র ড্যানিয়েলা লেভিন কাভা বলেন, এরই মধ্যে আবহাওয়া প্রতিকূল হয়ে পড়েছে। এ কারণে উদ্ধারকাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আবহাওয়ার সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এদিকে ঝোড়ো বাতাসের কারণে ধ্বংসাবশেষ সরাতে বড় ক্রেনগুলোর সমস্যা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সার্ফসাইডের মেয়র চার্লস বারকেট।
তবে, দাঁড়িয়ে থাকা অবশিষ্ট অংশ ক্রান্তীয় ঝড় এলসা আসার আগেই ভেঙে ফেলা হয়েছে। রবিবার (৪ জুলাই) রাতে নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ ঘটিয়ে মায়ামি এলাকার সার্ফসাইড শহরের ১২তলা চ্যামপ্লেইন টাওয়ার্স সাউথ অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের বাকি অংশটি গুড়িয়ে দেওয়া হয়।
বিবিসি ও রয়টার্সের বরাতে জানা যায়, পরিকল্পনা মতোই বিস্ফোরণের পর ধ্বংসস্তূপ অল্প জায়গায় সীমিত ছিল বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এর জন্য নিকটবর্তী ভবনের বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ারও প্রয়োজন হয়নি। তাদের শুধু ঘরে অবস্থান করতে ও ধূলার কারণে এসি বন্ধ করে রাখতে বলা হয়েছিল।
ইত্তেফাক/টিআর
