আনন্দ বিনোদন প্রতিবেদক
অভিনেতা, লেখক, প্রযোজক ও পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশের মিডিয়ায় কাজ করছেন দুই দশক ধরে কাজী রিটন। যার পুরো নাম কাজী আবু বকর সিদ্দিকী। ধারাবাহিক নাটক, চলচ্চিত্র ও একক নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। ২০০৮ সালে সাতটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ‘চন্দ্রগ্রহণ’-এ তিনি একজন অভিনয়শিল্পী হিসেবে কাজ করেছেন। তার অভিনীত নাটকগুলো হচ্ছে— ‘দৌড়’ (বিটিভি), ‘বাইনোকুলার’ (এনটিভি), ‘গ্রহ কন্যা’ (এনটিভি), ‘ব্যাচেলর দম্পতি’ (বাংলাভিশন) এবং ‘এ টিম’ (চ্যানেল আই) ইত্যাদি। এছাড়াও তিনি মডেল হিসেবে বেশকিছু বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো একটেল, যমুনা ব্যাংক ও বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্স।
একজন অভিনেতা ও সহকারী পরিচালক হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করলেও পরবর্তী সময়ে তিনি প্রযোজক ও লেখক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। তিনি চলচ্চিত্র ও নাট্য প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট’র স্বত্ত্বাধিকারী। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রোডিউসারস অ্যাসোসিয়েশনের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কাজী রিটন তার প্রযোজনা সংস্থা থেকে অনেকগুলো নাটক নির্মাণ করছেন করোনাকালীন শত প্রতিকূলতার মাঝেও। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই চলছে এই কাজগুলো। মিডিয়ায় ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে কাজী রিটন বলেন, ‘আমার খুব ভালো লাগছে এই ভেবে, গত ২০ বছর ধরে আমি দর্শকদের ভালো মানের নাটক উপহার দিয়েছি এবং জনপ্রিয়তা পেয়েছে আমার নাটকগুলো।’
২০০৬ সালে তিনি সহযোগী প্রযোজক হিসেবে ‘হূদয়ের কথা’ নামে একটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেন। কাজী রিটন প্রযোজিত বেশকিছু জনপ্রিয় ও প্রশংসিত নাটক ও টেলিছবি হচ্ছে— ‘ছায়া শিকারী’ (মাছরাঙ্গা টেলিভিশন), ‘খচাই’ (বাংলাভিশন), ‘প্রেম ৭১’ (মাছরাঙ্গা টেলিভিশন), ‘গল্প নয়’ (এনটিভি), ‘আপা’ (একুশে টেলিভিশন), ‘টম অ্যান্ড জেরী’ (এটিএন বাংলা), ‘ওপারে তুমি’ (আরটিভি)।
এসবের পাশাপাশি তিনি ‘কাজী ফাউন্ডেশন’ নামে একটি দাতব্য সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেছেন। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি শিশু অধিকার ও শিক্ষার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। নিজের কাজের স্বীকৃতি হিসেবে কাজী রিটন ইতোমধ্যে বেশকিছু সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। বাংলাদেশের মিডিয়া শিল্পকে দেশে ও বিদেশে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষে তিনি কাজ করে চলেছেন।
