ই-কমার্সভিত্তিক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে চিঠি পাঠিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এক পরিদর্শন প্রতিবেদনের পর্যবেক্ষণের পরিপ্রেক্ষিতে গত রবিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের উপসচিব খলিলুর রহমান স্বাক্ষরিত ঐ চিঠি পাঠানো হয়। দুদক চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, গ্রাহক ও মার্চেন্টদের কাছ থেকে গত ১৪ মার্চ পর্যন্ত ইভ্যালির নেওয়া অগ্রিম ৩৩৯ কোটি টাকার কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। এ টাকা আত্মসাত্ বা অবৈধভাবে অন্যত্র সরিয়ে ফেলার আশঙ্কা রয়েছে। চিঠিতে ইভ্যালির বিরুদ্ধে তদন্ত করে কোনো আর্থিক অনিয়ম পাওয়া গেলে দুদককে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে উঠে আসা তথ্যগুলো তুলে ধরে চিঠি পাঠানো হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে। এতে ইভ্যালির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
ইভ্যালির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চিঠি দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনকেও। চিঠিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, ইভ্যালির চলতি সম্পদ দিয়ে মাত্র ১৬ শতাংশ গ্রাহককে পণ্য সরবরাহ করতে পারবে। তাই গ্রাহক ও মার্চেন্টদের পাওনা পরিশোধ করা ঐ কোম্পানির পক্ষে সম্ভব নয়।
