জাবির নির্মাণাধীন হল থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

আপডেট : ০৮ জুলাই ২০২১, ১৮:৩৫

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) নির্মাণাধীন ২২ নম্বর হল থেকে অলিউল্লাহ (২৩) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে লাশটি উদ্ধার করা হয় বলে জানান আশুলিয়া থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাজী নাসের।

নিহত অলিউল্লাহ ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার বড়বাজার এলাকার বাসিন্দা তাইজুদ্দিন তাজুর ছেলে। তবে সে পরিবারের সাথে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন গেরুয়ায় ভাড়া বাসায় থাকতো। সে একটি হোটেলে কাজ করতো বলে জানা গেছে।

নির্মাণাধীন হলের নির্মাণকাজের দায়িত্বে থাকা নূরানী কনস্ট্রাকশনের ম্যানেজার খোরশেদ আলম খোকন ইত্তেফাককে বলেন, ভোরে উঠে আমরা নির্মাণাধীন হলের সামনে একজনকে মৃত পড়ে থাকতে দেখি। পরে সিসিটিভির ফুটেজে দেখি, রাত তিনটার পর অলিউল্লাহসহ তিন যুবক সীমানা প্রাচীর পার হয়ে নির্মাণাধীন হলের ভেতরে প্রবেশ করেছিল। তারা চুরির উদ্দেশ্যে এসেছিল। চুরির সময় বৈদ্যুতিক শকে সে নিচে পড়ে গেছে বলে ধারণা করছি।

চলমান পরিকল্পনা ও উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক প্রকৌশলী নাছির উদ্দিন বলেন, সিসি টিভির ফুটেজ থেকে জানতে পেরেছি হলে চুরির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করেছে তিনজন। এর মধ্যে একজন মারা গেছে। তবে কীভাবে মারা গেছে নিশ্চিত করতে পারছি না। ধারণা করছি হল থেকে পড়ে মারা গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ.স.ম ফিরোজ-উল-হাসান ইত্তফাককে বলেন, এ বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করছে। তদন্তের কার্যক্রম শেষ হলে প্রকৃত ঘটনা জানতে পারবো।

করোনায়ও থেমে নেই জাবির শিক্ষা কার্যক্রম

আশুলিয়া থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাজী নাসের বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলার প্রস্তুতি চলছে। নিহত অলিউর রহমান নির্মাণ সংশ্লিষ্ট কেউ না। চুরি করতে এসে ভবন থেকে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করছি।

এর আগে, গত ২৭ মে একই ভবনের ছয়তলা থেকে নিচে পড়ে শাহের আলী নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়। একই হলে আরেক মৃত্যুর ঘটনাকে প্রকল্প পরিচালক, কনস্ট্রাকশন কোম্পানি ও তদারকি কমিটির দায়িত্বজ্ঞানহীনতার ফল বলে দাবি করেছে ছাত্র ইউনিয়নের জাবি সংসদ।

ইত্তেফাক/এসজেড