দুঃসময় কাটিয়ে অজিদের ফেরা

আপডেট : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২১:৫৭

হোয়াইটওয়াশ হলো শ্রীলঙ্কা

 স্পোর্টস রিপোর্টার

কিংবদন্তিতুল্য মাইক হাসির হাত থেকে ওয়ার্ন-মুরালিধরন ট্রফি তুলে নিলেন টিম পেইন। ব্যাস, শুরু হয়ে গেল অস্ট্রেলিয়ানদের উদযাপন। সাথে যোগ হলো ক্যামেরার ফ্লাসের শব্দ। বাজে একটা মৌসুমের শেষটা হলো শ্রীলঙ্কাকে হোয়াইটওয়াশ করার মধ্য দিয়ে। অস্ট্রেলিয়ানদের উদযাপনে তাই যেমন আনন্দ ছিল, ছিল স্বস্তির নিশ্বাসও। এখান থেকেই টিম পেইনের দল শুরু করছে অ্যাশেজের প্রস্তুতি।

ক্যানবেরাতে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে অস্ট্রেলিয়া জিতে গেল ৩৬৬ রানের বিশাল ব্যবধানে। জয়ে সবচে বড় অবদান নিঃসন্দেহে পেসার মিশেল স্টার্কের। দুই ইনিংস মিলিয়ে তিনি নিয়েছেন ১০ উইকেট। তার হাতেই উঠেছে ম্যাচ সেরার পুরস্কার। প্যাট কামিন্স জিতেছেন সিরিজ সেরার পুরস্কার। এর আগে ব্রিসবেনে অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম টেস্টে ইনিংস ও ৪০ রানের ব্যবধানে হারে শ্রীলঙ্কা।

সিরিজ শেষে টিম পেইন বলেন, ‘পরিশ্রম ফলাফল যখন ভালো হয় তখন কার না ভালো লাগে। তাই, সবাইকে আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই। এটা আমাদের জন্য শক্ত একটা মৌসুম ছিল। মৌসুমটা যেভাবে শেষ করছি, ছয় মাস আগেও সেটা অকল্পনীয় এক ব্যাপার ছিল। আমরা এখন আগামী মৌসুমের দিকে তাকিয়ে আছি।’

টিম পেইন এখন চোখ রাখছেন অ্যাশেজের দিকে। তিনি বলেন, ‘এবার আমাদের এ পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হবে। অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটাররা নিজেদের সবকিছু উজার করে দিতে প্রস্তুত— এটা আবারো প্রমাণ করতে হবে আমাদের। দলের সবাই এখন অ্যাশেজে ইংল্যান্ডকে মোকাবিলা করার অপেক্ষায় আছে। এখন থেকেই আমরা ইংল্যান্ডের দিকে নজর রাখছি।’

নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে শ্রীলঙ্কা অলআউট হওয়ার আগে করতে পারে মাত্র ১৪৯ রান।

চতুর্থ দিন সকালে লঙ্কান ব্যাটসম্যানদের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ান মিশেল স্টার্ক। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও তিনি নিয়েছেন পাঁচ উইকেট। আর তিনটি উইকেট নেন আরেক পেসার প্যাট কামিন্স। অস্ট্রেলিয়ান বোলারদের দাপটে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানো শ্রীলঙ্কান ব্যাটসম্যানরা কখনোই মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি।